© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ভোলায় কর্মহীন ১৩ হাজার ৬০০ জেলের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

শেয়ার করুন:
ভোলায় কর্মহীন ১৩ হাজার ৬০০ জেলের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৪৭ এএম | ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলাকালে কর্মহীন হয়ে পড়া জেলেদের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো চালের পাশাপাশি সয়াবিন তেল, আটা, ডাল, আলু, চিনি ও লবণসহ ছয় ধরনের সামগ্রী পাচ্ছেন জেলেরা।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোলা সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান। ইলিশ প্রকল্পের আওতায় এই সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জাটকা রক্ষায় মার্চ ও এপ্রিল, এই দুই মাস নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। এই সময়ে প্রান্তিক অসহায় জেলে ও মান্তা সম্প্রদায়ের জন্য ভোলা জেলায় ১৩ হাজার ৬০০ পরিবারের তালিকা করা হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে প্রতি মাসে ৫ কেজি সয়াবিন তেল, ৬ কেজি আটা, ৪ কেজি ডাল, ৯ কেজি আলু, ২ কেজি চিনি ও ২ কেজি করে লবণ দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার উদ্বোধনী দিনে সদর উপজেলার ১ হাজার ২০০ পরিবারের মধ্যে দুই মাসের সমপরিমাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, বিগত বছরগুলোতে শুধু চাল বিতরণ করা হলেও জেলেদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ বছর পরীক্ষামূলকভাবে ইলিশ প্রকল্প থেকে এই বাড়তি খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। এটি জেলে পরিবারগুলোর পুষ্টি ও দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে বড় সহায়তা করবে।

জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান বলেন, 'সরকার জেলেদের জীবনমান উন্নয়নেই এই প্রকল্প নিয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে এ বছর এসব সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। এর ফলাফল ভালো হলে ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সম্ভাবনা থাকবে।'

এদিকে সরকারের এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করলেও বিতরণের সময় নিয়ে কিছুটা আক্ষেপ জানিয়েছেন জেলেরা। সুবিধাভোগীদের দাবি, মার্চ মাসের শুরুতে এই সহায়তা দেওয়া হলে তাদের জন্য আরও বেশি উপকার হতো।

উল্লেখ্য, ভোলা জেলায় ১ লাখ ৮৮ হাজার নিবন্ধিত জেলে থাকলেও এবার বিশেষ এই খাদ্যসামগ্রীর সুবিধা পেয়েছেন মাত্র ১৩ হাজার ৬০০ জন। তবে জাটকা সংরক্ষণের সাধারণ কর্মসূচির আওতায় জেলার প্রায় ৮৮ হাজার জেলেকে মাসিক ৪০ কেজি করে চাল সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

আইকে/টিএ

মন্তব্য করুন