© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড ঠাকুরগাঁও

শেয়ার করুন:
কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড ঠাকুরগাঁও

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:২৪ এএম | ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ে গভীর রাতে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি এলাকা। ঘণ্টাব্যাপী ঝড়ে গাছ উপড়ে পড়া, অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্তসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে আচমকা শুরু হয় এই ঝড়। মুহূর্তেই তীব্র বাতাস ও বজ্রপাত পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তোলে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে ঝড়ের তাণ্ডব। পরে কিছুটা কমলেও দফায় দফায় বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকে, যা মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দেয়।

সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে, সদর উপজেলা ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। ইতোমধ্যে কয়েকটি বসতঘর আংশিক ও সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া কৃষকদের ক্ষেতের ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানা গেছে।

ঝড়ের তীব্রতায় অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, ফলে রাতভর অন্ধকারে চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এদিকে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে স্থানীয় প্রশাসন।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা দেওয়া হবে।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আলমগীর কবীর জানান, শনিবার আকস্মিক ঝড় ও শীলা বৃষ্টিতে কিছু এলাকায় ফসল নষ্ট হয়েছে। আবার রোববার রাতে ব্যাপক ঝড়ের ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে পারে। এতে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে কাজ চলছে।

উল্লেখ্য, এর আগের দিন শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকেও ঠাকুরগাঁওয়ে কালবৈশাখী ঝড় তাণ্ডব চালায়। ওই ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি পরিবারের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কৃষিজমিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

টানা দুই দিনের ঝড়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন জেলার বাসিন্দারা। বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমের এই সময়ে কালবৈশাখীর প্রবণতা বাড়তে পারে, তাই সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

টিজে/টিকে 

মন্তব্য করুন