© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

যুদ্ধের পর হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আয় বেড়েছে ৪০ শতাংশ

শেয়ার করুন:
যুদ্ধের পর হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আয় বেড়েছে ৪০ শতাংশ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৩১ পিএম | ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
মার্চ মাসে তেল রপ্তানি থেকে যুদ্ধের আগের সময়ের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি আয় করেছে ইরান। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেহরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে এবং এই জলপথ দিয়ে নিজস্ব জ্বালানি পণ্য রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। 

এছাড়া, মার্কিন নৌ অবরোধ সত্ত্বেও তেহরানের রাজস্ব প্রবাহ আগস্ট পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানি বন্দরগুলোতে ওয়াশিংটনের নৌ অবরোধের কারণে দেশটি আর্থিকভাবে ভেঙে পড়ছে এবং প্রতিদিন লাখ লাখ ডলার হারাচ্ছে।

গত ১৩ এপ্রিল ইরানি বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ কার্যকর করা হয়েছে। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির কাছে একটি ইরানি পতাকাবাহী ট্যাংকারে গুলি চালিয়েছে ও সেটি জব্দ করেছে। এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকেও বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করছে ইরান। তবে, অন্যান্য দেশের জ্বালানি পরিবহনে বাধা দিলেও এই জলপথ দিয়ে নিজস্ব জ্বালানি পণ্য রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে তেহরান।


বাণিজ্য গোয়েন্দা সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ইরান মার্চ মাসে দৈনিক ১ দশমিক ৮৪ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করেছে। এপ্রিল মাসে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ব্যারেলে। 

অর্থাৎ, ব্যারেল প্রতি ৯০ ডলারের রক্ষণশীল হিসাব ধরলেও ইরান তার চলমান তেল রপ্তানি থেকে গত এক মাসে কমপক্ষে ৪ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় অর্থের অংকটা ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে দেশটির গড় তেল রপ্তানির পরিমাণ ছিল দৈনিক ১ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ব্যারেল।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে ফেব্রুয়ারির শুরুতে ইরান অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করে মাসে ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছিল। অথচ যুদ্ধের সময়ে অর্থাৎ মার্চে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলারে।

এদিকে, মার্কিন অবরোধের কারণে নতুন করে তেল রপ্তানি না করলেও বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জাহাজে ইরানের ১৬ থেকে ১৭ কোটি ব্যারেল তেল ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। আর এ কারণেই হরমুজে অবরোধ বহাল থাকলেও তেহরানের রাজস্ব প্রবাহ আগামী আগস্ট পর্যন্ত চলবে।


ইউটি/টিএ

মন্তব্য করুন