দুই দশক পর নতুন রূপে ফিরল বল বয়ের সংস্কৃতি
ছবি: সংগৃহীত
০৩:৩০ পিএম | ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
বাউন্ডারির বাইরে একদল কিশোর-কিশোরি অপেক্ষায় আছেন। ব্যাটারদের হাঁকানো চার-ছক্কার বলটি তার কাছে কখন আসবে? আসার সঙ্গে সঙ্গে সেই বল ধরে ফিরিয়ে দেবেন ফিল্ডিং দলকে। এই কাজটা যারা করতেন তাদের বল বয় বলা হতো।
এই দৃশ্যটা একটা সময় খেলা হলেও দেখা গেলেও এতদিন সেটা মরীচিকা ছিল। এতদিন বলার কারণ, আজ থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটে আবারও সেই দৃশ্য ফিরে আসছে। তবে নামটা একটু পরিবর্তন হয়ে। বল বয় নয়, বাউন্ডারির বাইরে থেকে বল দেওয়ার কাজটা যারা করবে তাদেরকে ‘ফিউচার স্টারস’ বলে ডাকা হবে। কেন এই নামে ডাকা হবে সেটার ব্যাখ্যা দিয়েছেন পুনরায় এই সংস্কৃতি চালু করার কারিগরি তামিম ইকবাল।
আজ নিজের সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এক ‘ফিউচার স্টার্সের’ ছবি পোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির সভাপতি লিখেছেন, ‘‘বল বয়, শব্দটা ব্যক্তিগতভাবে কখনোই খুব একটা ভালো লাগত না আমার। ওরাই আমাদের ভবিষ্যৎ, তাই আমি ওদেরকে বলতে চাই ‘ফিউচার স্টারস’।’’

বল বয় হিসেবে কাজ করা অনেকেই পরে বিশ্ব ক্রিকেটকে শাসন করেছেন। তাদের অন্যতম হচ্ছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটার শচীন টেন্ডুলকার। তামিম নিজেও বল বয় ছিলেন। এ ছাড়া মোহাম্মদ আশরাফুল, শাহরিয়ার নাফিস, বাবর আজমও একই কাজ করেছিলেন। নিজের মতো খুদেরাও আগামীতে বিশ্বমঞ্চ কাঁপাক এমনটি চান বাংলাদেশের সাবেক বাঁহাতি ওপেনার। তিনি লিখেছেন, ‘‘আশা করি, এই খুদে ক্রিকেটাররা ওদের প্রিয় ক্রিকেটারদের কাছ থেকে দেখে অনুপ্রাণিত হবে। ওদের স্বপ্নের সীমানা বড় হবে এবং একদিন বাংলাদেশের হয়ে খেলবে।
আমিও একসময় ওদের মতোই ছিলাম, আমিও ছিলাম একজন ‘বল বয়’।’’ বাংলাদেশে সর্বশেষ ২০০৪-০৫ মৌসুমে বল বয়ের সংস্কৃতি দেখা গেছে। সময়ের হিসেবে তাই ২১ বছর পর আজ চট্টগ্রামে সেই সংস্কৃতি চালু হচ্ছে। বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের মধ্যেকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ‘ফিউচার স্টারস’ হিসেবে বাউন্ডারির বাইরে থাকবেন চট্টগ্রামের অনূর্ধ্ব-১৪ ও অনূর্ধ্ব-১৬ বয়সভিত্তিক দলের কিশোর-কিশোরিরা। কাছ থেকে তারকাদের দেখে নিশ্চয়ই খুদেরাও বুনবে বিশ্বমঞ্চ মাতানোর স্বপ্ন!
আইকে/টিএ