© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মিডিয়া কমিশন গঠনে সরকারকে সহায়তা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র : তথ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
মিডিয়া কমিশন গঠনে সরকারকে সহায়তা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র : তথ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:১৯ পিএম | ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
ভবিষ্যতে একটি মিডিয়া কমিশন গঠনের বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র নৈতিক ও কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, এটি মূলত একটি রুটিন সৌজন্য সাক্ষাৎ। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা মন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন, তারই ধারাবাহিকতায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

তবে এই সাক্ষাৎকে তিনি দুই দেশের সম্পর্ক আরো গভীর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র এবং মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রেও দেশটি অন্যতম প্রধান অংশীদার। এ কারণে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করতে উভয় পক্ষই আগ্রহী। একই সঙ্গে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত গণমাধ্যম পরিস্থিতি মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ।

মন্ত্রী জহির উদ্দিন বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যম একটি চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র কিভাবে নতুন মিডিয়া ইকোসিস্টেম পরিচালনা করছে, সে বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা শিখতে চাই।

বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে গণমাধ্যম, প্রযুক্তি ও নীতিগত সহায়তার ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

গণমাধ্যম খাতে যৌথভাবে কাজ করার সম্ভাবনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পলিসি সাপোর্ট থেকে শুরু করে টেকনোলজিক্যাল সহযোগিতা-সব ক্ষেত্রেই আমরা তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই।

এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস যৌথভাবে কাজ করবে।

ভুয়া তথ্য (মিসইনফরমেশন) ও অপতথ্য (ডিসইনফরমেশন) মোকাবিলা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফরমের বিস্তারের ফলে অপতথ্য সমাজ, রাষ্ট্র ও নাগরিক জীবনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। একসময় প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। এখন স্বাধীনতার পাশাপাশি ‘ব্যালান্সড ফ্রিডম’ নিশ্চিত করাও জরুরি হয়ে উঠেছে। কারণ স্বাধীনতার অপব্যবহার সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

সরকারকে এখন একই সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং জনগণকে অপতথ্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে কার্যকর সমাধান খোঁজার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। 

এসএন 

মন্তব্য করুন