© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সামান্য বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম নগরী

শেয়ার করুন:
সামান্য বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম নগরী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:২৭ পিএম | ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
আকাশে ঘন কালো মেঘ জমলেই চট্টগ্রাম নগরীর বাসিন্দাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে। সামান্য বৃষ্টিতেই বিভিন্ন সড়কে সৃষ্টি হয় তীব্র জলাবদ্ধতা, যা নগরবাসীর জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বছরের পর বছর চলে আসা এই দুর্গতি দূর করতে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৪টি মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। তবে প্রকল্পগুলোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকলেও নগরবাসী এর সুফল পাচ্ছে না। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়ক ও অলিগলি আগের মতোই পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরীর আমবাগান এলাকায় মাত্র ১০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এতেই শহরের কোথাও হাঁটু পানি, আবার কোথাও কোমর সমান পানি জমে যায়। ফলে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গতবারের মতো এবার মৌসুমের আগে নালা ও খালগুলো পরিষ্কার না করায় জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করেছে। গত বছর শুরুতেই পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোয় জলাবদ্ধতা কিছুটা কম ছিল।

মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টি থেমে থেমে চলে দুপুর ৩টা পর্যন্ত।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর প্রবর্তক মোড়, মুরাদপুর, রহমতগঞ্জ, চকবাজার, কাপাসগোলা, হালিশহর, নিউমার্কেট, তিন পুলের মাথা, কাতালগঞ্জ, জিইসি মোড়, ঝাউতলা ও আগ্রাবাদসহ বেশ কিছু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক জায়গায় সড়ক ছাড়িয়ে দোকানপাট ও ঘরবাড়িতেও পানি ঢুকে পড়েছে।

জলাবদ্ধতার কারণে সড়কে গণপরিবহন কমে যাওয়ায় বাড়তি ভাড়া হাঁকাচ্ছেন চালকেরা। এতে যাত্রী ও অভিভাবকদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম বলেন, ‘মেগা প্রকল্পের কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ। ৩৬টি খালের মধ্যে ৩৪টির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। জামালখান ও হিজরা খালের কিছু অংশে বাঁধ দিয়ে কাজ চলায় পানি নামতে বাধা পেয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে আমরা দ্রুত বাঁধগুলো খুলে দিয়েছি।’

সিটি করপোরেশনের উপ-প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা বলেন, বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দিয়ে উন্নয়ন কাজ চলমান থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কাজ শেষ হলে আগামী বর্ষায় নগরবাসী জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবেন।

টিজে/টিএ 

মন্তব্য করুন