বাবরের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির রেকর্ড, ফাইনালে পেশোয়ার
ছবি: সংগৃহীত
০৯:০৮ এএম | ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)-এ ব্যাট হাতে দারুণ ফর্মে ফিরে এসেছেন পেশোয়ার জালমির তারকা ব্যাটার বাবর আজম। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে যিনি অফ-ফর্মে ভুগছিলেন, সেই বাবরই এবার টানা পারফরম্যান্সে দলকে ফাইনালে তুলে নিয়ে গেছেন। কোয়ালিফায়ার ম্যাচে তার রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে বড় জয় পেয়েছে পেশোয়ার জালমি।
করাচিতে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২২১ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় পেশোয়ার জালমি।
ইনিংসের মূল ভিত্তি ছিল বাবর আজমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি। ৫৯ বলে ১০৩ রানের ইনিংসে তিনি ১২টি চার ও ৪টি ছক্কা হাঁকান। তার সঙ্গে ওপেনিংয়ে ভালো শুরু এনে দেন মোহাম্মদ হারিস। পরে কুশল মেন্ডিসের সঙ্গে গড়ে ওঠা গুরুত্বপূর্ণ জুটি এবং শেষ দিকে অ্যারন হার্ডির দ্রুতগতির ব্যাটিং পেশোয়ারকে বড় স্কোরে পৌঁছে দেয়।
বাবরের ইনিংসটি শুধু ম্যাচেই নয়, পিএসএলের ইতিহাসেও গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হয়েছে। চলতি মৌসুমে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। এর মাধ্যমে তিনি পিএসএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে উঠে এসেছেন। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তার শতকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩টিতে, যা তাকে এই ফরম্যাটে অন্যতম সফল ব্যাটার হিসেবে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে।

২২২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও শেষ পর্যন্ত বড় চাপে পড়ে যায় ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। একের পর এক উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে তারা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় রান তাড়ার গতি ধরে রাখতে পারেনি দলটি। শেষ পর্যন্ত ১৫১ রানে অলআউট হয়ে ৭০ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত হয় ইসলামাবাদ ইউনাইটেড।
ইসলামাবাদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন সামির মিনহাস। অধিনায়ক শাদাব খান করেন ২৫ রান। এছাড়া ইমাদ ওয়াসিম ২২ এবং ডেভন কনওয়ে ২০ রানের ইনিংস খেলেন। তবে তাদের কোনো ইনিংসই দলকে ম্যাচে ফেরাতে যথেষ্ট হয়নি।
বাবর আজমের এই সেঞ্চুরি এবং দলের সম্মিলিত পারফরম্যান্সে ভর করে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে পেশোয়ার জালমি। ফলে পিএসএলের শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে আরও একধাপ এগিয়ে গেল দলটি।
এসকে/এসএন