ইভিএম বিভ্রাটে ভোট না দিয়েই কেন্দ্র ছাড়লেন চিরঞ্জিত
ছবি: সংগৃহীত
বাংলার দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শুরু হতেই রাজ্যের একাধিক প্রান্তে ইভিএম বিকলের অভিযোগ ঘিরে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, নদিয়া সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে একের পর এক সমস্যার খবর সামনে আসে। কোথাও ভোট শুরু হতে দেরি, কোথাও আবার লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা—সব মিলিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভোট দিতে না পেরে ফিরে যেতে বাধ্য হলেন বারাসতের বিদায়ী বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। জানা যায়, সকালে তিনি ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চারুচন্দ্র কলেজে পৌঁছান। কিন্তু বুথে পৌঁছে ইভিএমে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেওয়ায় ভোটগ্রহণ সম্ভব হয়নি।
দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি ভোট না দিয়েই কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে যান। পরে দুপুরের দিকে আবার আসার সম্ভাবনার কথাও জানা যায়। ঘটনার পর এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে নির্বাচন কর্মীরা।

একই দিনে রাজ্যের বহু বুথে ইভিএম বিভ্রাটের কারণে ভোট শুরুর সময় পিছিয়ে যায়। কোথাও যন্ত্র সচল করতে দেরি, কোথাও আবার ভোট চলাকালীন হঠাৎই সমস্যা দেখা দেয়। এতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হয় এবং একাধিক জায়গায় বচসার ঘটনাও ঘটে।
অভিজ্ঞ মহলের মতে, একসঙ্গে এতগুলো বুথে ইভিএম সমস্যার ঘটনা নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরেও এসেছে বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক জীবনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী বরাবরই বারাসতের ভোটে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে এসেছেন। টানা তিনবার বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর এবারের ভোটযুদ্ধে তিনি আর প্রার্থী নন। তবুও ভোটদানের দিনেই এমন পরিস্থিতিতে তাঁর ভোট না দিতে পারা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।
এসএ/এসএন