© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মে দিবস উপলক্ষে থাকছে আরণ্যক ও বটতলার আয়োজন

শেয়ার করুন:
মে দিবস উপলক্ষে থাকছে আরণ্যক ও বটতলার আয়োজন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:১২ এএম | ০১ মে, ২০২৬
১৯৮২ সালে থেকে আরণ্যক নাট্যদল নিয়মিতভাবে মহান মে দিবস পালন করে আসছে। এ বছরও মে দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী আয়োজন সাজিয়েছে আরণ্যক। এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ‘বন্যথেরিয়াম’ নাটকের দুটি প্রদর্শনী করবে নাট্যদল বটতলা।

আজ ১ মে সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শুরু হবে আরণ্যকের দিনব্যাপী আয়োজনের প্রথম পর্ব। এই পর্বে মে দিবসের গান, আবৃত্তি এবং ভাবনগর সাধুসঙ্গের বাউলগানের পাশাপাশি থাকছে আলোচনা সভা। আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। এ ছাড়া এই পর্বে মান্নান হীরা রচিত ও নির্দেশিত পথনাটক ‘মূর্খ লোকের মূর্খ কথা’ মঞ্চস্থ হবে।



সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব। সেখানে মে দিবসের গানের পর আরণ্যক নাট্যদলের দর্শকনন্দিত প্রযোজনা ‘রাঢ়াঙ’ নাটকটি মঞ্চস্থ হবে। নাটকটি রচনা করেছেন ও নির্দেশনা দিয়েছেন মামুনুর রশীদ। এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর ‘মে দিবসের কাগজ’ শীর্ষক একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছরও প্রকাশিত হবে বিশিষ্টজনদের লেখাসংবলিত নতুন সংখ্যা।

অন্যদিকে মে দিবস উপলক্ষে ১ মে বেইলি রোডের বাংলাদেশ মহিলা সমিতিতে বটতলা আয়োজন করেছে শিশুতোষ নাটক বন্যথেরিয়ামের দুটি প্রদর্শনী। নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট এবং সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে দেখা যাবে নাটকটি। সুকুমার রায়ের ‘হেঁসোরাম হুঁশিয়ারের ডায়েরি’ অবলম্বনে বন্যথেরিয়ামের নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন ইভান রিয়াজ।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, প্রাণিবিজ্ঞান সংস্থা ওয়াইল্ড ভিশন এক অদ্ভুত প্রজাতির ট্যাঁশ গরুর সন্ধান পায়। সেটাকে ধরে নিয়ে আসে কোম্পানির প্রেসিডেন্ট হারুর নির্দেশে। এমন অদ্ভুত আর বিরল বন্য প্রাণীর সন্ধান ওয়াইল্ড ভিশনকে এনে দেয় খ্যাতি। খবর পেয়ে ছুটে আসে বন্য প্রাণী ব্যবসায়ী মিস হুক্কি; সে আরও ট্যাঁশ গরুর সন্ধান চায়।

এরই মধ্যে আরও অদ্ভুত বন্য প্রাণী আর প্রকৃতির সন্ধান নিয়ে আসে বিখ্যাত গবেষক প্রফেসর হেঁসোরাম হুঁশিয়ারের ভাগনে চন্দ্রখাই। তার কাছে প্রফেসর হেঁসোরাম হুঁশিয়ারের অদ্ভুত অভিযানের কাহিনি শুনে হারু আর মিস হুক্কি রোমাঞ্চিত হতে থাকে। নতুন ব্যবসার ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হচ্ছে ভেবে উৎফুল্ল হয়। তারা অক্সিজেন, খাদ্যচক্র আর পরবর্তী প্রজন্মের কথা ভুলে সবুজ প্রকৃতিকে ধূসর করে মুনাফা লাভের স্বপ্ন দেখে। চন্দ্রখাইও গল্পের ছলে পৌঁছাতে থাকে তার চূড়ান্ত উদ্দেশ্যে।

এসএ/এসএন

মন্তব্য করুন