© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

উচ্চকক্ষে পিআর ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে কী বললেন মির্জা ফখরুল?

শেয়ার করুন:
উচ্চকক্ষে পিআর ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে কী বললেন মির্জা ফখরুল?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:১৯ পিএম | ০২ মে, ২০২৬
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জুলাই সনদের প্রতিটি জায়গায় আমরা ছিলাম। কিছু জায়গায় নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছি, স্বাক্ষরও করেছি। এখন অবলীলায় বলা হচ্ছে, সবটাই করতে হবে। উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতি ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে আমরা একমত হইনি। সবকিছু সংসদের মাধ্যমেই করতে হবে।

শনিবার (২ মে) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে জিয়া পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি সংস্কারের বিরোধী—এমন প্রচারণা বিভ্রান্তিকর। জিয়াউর রহমানই দেশে প্রথম সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। 

নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ এসেছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জুলাই সনদ ও সংবিধান নিয়ে বিতর্ক স্বাভাবিক হলেও তা রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়।  

বিতর্কে সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন লক্ষ্য হওয়া উচিত অর্থনীতিকে ঠিক করা। এ অবস্থার উত্তরণে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। ফ্যাসিস্ট আমলে ৮০ লাখ কোটি টাকা দেনা রেখে গেছে। ফ্যাসিস্টের অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে ফেলে পুনর্গঠন করাই লক্ষ্য হওয়া উচিত।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলবাজি করা যাবে না, মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্ররাজনীতিতে মেধাবীদের সম্পৃক্ত করে তা সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে হবে, না হলে অতীতে যেমন ক্ষতি হয়েছে, ভবিষ্যতেও তেমন ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন,বিএনপির অনেক অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন রয়েছে; নতুন করে আর সংগঠনের প্রয়োজন নেই। জিয়া পরিষদের নামে দোকান খোলা হোক, চাই না। এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।  

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তার উৎসাহে জিয়া পরিষদ ইতোমধ্যে কয়েকটি বই প্রকাশ করেছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত রাখা উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন। 

সরকারে প্রবেশের পর অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির চিত্র দেখে উদ্বিগ্ন হওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারে আসার পর যেদিকে তাকাই শুধু অনিয়ম, দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি দেখতে পাই। সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এসব বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (২ মে) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে জিয়া পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি সংস্কারের বিরোধী—এমন প্রচারণা বিভ্রান্তিকর। জিয়াউর রহমানই দেশে প্রথম সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। 

নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ এসেছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জুলাই সনদ ও সংবিধান নিয়ে বিতর্ক স্বাভাবিক হলেও তা রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়।  

বিতর্কে সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন লক্ষ্য হওয়া উচিত অর্থনীতিকে ঠিক করা। এ অবস্থার উত্তরণে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। ফ্যাসিস্ট আমলে ৮০ লাখ কোটি টাকা দেনা রেখে গেছে। ফ্যাসিস্টের অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে ফেলে পুনর্গঠন করাই লক্ষ্য হওয়া উচিত।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলবাজি করা যাবে না, মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্ররাজনীতিতে মেধাবীদের সম্পৃক্ত করে তা সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে হবে, না হলে অতীতে যেমন ক্ষতি হয়েছে, ভবিষ্যতেও তেমন ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন,বিএনপির অনেক অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন রয়েছে; নতুন করে আর সংগঠনের প্রয়োজন নেই। জিয়া পরিষদের নামে দোকান খোলা হোক, চাই না। এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।  

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তার উৎসাহে জিয়া পরিষদ ইতোমধ্যে কয়েকটি বই প্রকাশ করেছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত রাখা উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন। 

সরকারে প্রবেশের পর অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির চিত্র দেখে উদ্বিগ্ন হওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারে আসার পর যেদিকে তাকাই শুধু অনিয়ম, দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি দেখতে পাই। সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এসব বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

ইউটি/টিএ 

মন্তব্য করুন