সরকার মিডিয়ার সঙ্গে সংঘাতে যেতে চায় না: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত
০৯:১১ পিএম | ০৩ মে, ২০২৬
সরকার মিডিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের শত্রুতা বা সংঘাতে যেতে চায় না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি গণমাধ্যমকে সরকারের যৌক্তিক সমালোচনা চালু রাখার আহ্বান জানান।
আজ রবিবার সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও ভাইব্রেন্ট গণমাধ্যম ব্যবস্থা আবার গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।
আপনারা প্রত্যেকে খুব স্ট্রংলি সরকারের যেকোনো ধরনের যৌক্তিক সমালোচনা চালু রাখবেন।’ আগামী বছরে বাংলাদেশ মিডিয়া ও প্রেস ফ্রিডম পরিস্থিতিতে আরো ভালো করবে বলে আশাবাদী ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমি এই দেশে থাকতে চাই এবং একটি দুর্দান্ত ভাইব্রেন্ট মিডিয়া আবার তৈরি হতে দেখতে চাই।’
সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র দুই মাস পার হয়েছে। তাই মিডিয়া-সংশ্লিষ্ট সংস্কার ও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে আরো কিছুটা সময় প্রয়োজন বলে জানান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, একটি ভিন্ন বিটিভি হবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীও একই ধরনের মতামত দিয়েছেন।’
মূলধারার গণমাধ্যমেও ফটোকার্ডের মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো এডিটরিয়াল নীতি না থাকলেও এখন মূলধারার গণমাধ্যমেও ফটোকার্ডের মাধ্যমে মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন ছড়ানোর প্রবণতা তৈরি হয়েছে।
আমি নিজেও এর শিকার। আমাকে নিয়েও ফটোকার্ড বানিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।’ এ বিষয়গুলো সংবাদমাধ্যমগুলোর খেয়াল রাখা দরকার বলে জানান ডা. জাহেদ উর রহমান।
সাংবাদিকদের যোগ্যতা নির্ধারণ প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘সরকার একটি নীতিমালা করতে পারে, তবে সেটি ইম্পোজ করার মতো কিছু হবে না। কারণ সাংবাদিকতা বিষয়ে পড়াশোনা ছাড়াও দেশে অনেক গুণী সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক রয়েছেন।’
মিডিয়া রিফর্মস কমিশনের সঙ্গে দ্রুত বৈঠক হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মিডিয়া রিফর্মস কমিশনের সঙ্গে সরকার দ্রুত বসবে এবং যেসব পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য, সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।’ এ বিষয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরও সদিচ্ছার অভাব নেই বলে জানান তিনি।
আইকে/টিএ