© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ছেলের জীবনযাপন নিয়ে মুগ্ধ মাধবন

শেয়ার করুন:
ছেলের জীবনযাপন নিয়ে মুগ্ধ মাধবন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:২৮ পিএম | ০৩ মে, ২০২৬
বলিউডের অন্যতম মার্জিত ও মাটির মানুষ হিসেবে পরিচিত অভিনেতা আর মাধবন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দক্ষিণ ভারতে নিজের বেড়ে ওঠা, সন্তান লালনপালন এবং বর্তমান প্রজন্মের জীবনবোধ নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন ‘ধুরন্ধর’ খ্যাত এই তারকা। বিশেষ করে তাঁর পুত্র বেদান্তের সাধারণ জীবনযাপন ও পরিমিতিবোধ নিয়ে মাধবনের মন্তব্য এখন সামাজিক মাধ্যমে চর্চার বিষয়।

মাধবন মনে করেন, তাঁর বিনয়ী স্বভাবের মূলে রয়েছে দক্ষিণ ভারতীয় পরিবেশ। তিনি বলেন, ‘নিজের ছোটখাটো অর্জন নিয়ে খুব বেশি মেতে না থাকাই আমাদের সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য। দক্ষিণ ভারতীয়রা যতটা বিত্তশালী বা গুণী হন, সাধারণত ততটা প্রকাশ করেন না। লোক দেখানো ব্যাপারটি আমাদের স্বভাবজাত নয়।’ জামশেদপুরে বেড়ে ওঠা মাধবনের মতে, টিকে থাকার জন্য ‘মধ্যবিত্ত মানসিকতা’ই সেরা। এটি মানুষকে পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে এবং বিনয়ী থাকতে সাহায্য করে।

মাধবনের পুত্র বেদান্ত একজন সফল সাঁতারু। প্রায়ই সামাজিক মাধ্যমে অন্য তারকা সন্তানদের সঙ্গে বেদান্তের তুলনা করে বিভিন্ন ‘মিম’ তৈরি করা হয়। এ বিষয়ে মাধবন তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘সারিতা (মাধবনের স্ত্রী) এবং আমি এই তুলনা একেবারেই পছন্দ করি না। একটি শিশুর সঙ্গে অন্য শিশুর তুলনা করলে যে তাদের মনে কতটা আঘাত লাগতে পারে, তা অনেকেই বোঝেন না। তারকা সন্তান হওয়ার সুবাদে সে হয়তো বাড়তি নজরে থাকে, কিন্তু তাকে নিয়ে করা এসব মিম আমাদের আনন্দ দেয় না।’



তিনি আরও যোগ করেন, ‘বেদান্ত যথেষ্ট বুদ্ধিমান। সে জানে এই মনোযোগের কারণ সে কার ছেলে তা নয়, বরং তার কাজ। আমরা সব সময় তাকে তার সীমাবদ্ধতা ও অবস্থান সম্পর্কে সচেতন রাখার চেষ্টা করি।’
বর্তমান প্রজন্মের (জেন জি) জীবনদর্শন নিয়ে মাধবন বিস্মিত। তাঁর মতে, নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা অনেক বেশি ধীরস্থির ও মিতব্যয়ী। মাধবন বলেন, ‘বেদান্ত খুব সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত। সে এখনই গাড়ি বা বাড়ি কিনতে চায় না। জেন-জি প্রজন্মের এই অনাড়ম্বর জীবন দেখার পর তাদের বেশ শান্ত মনে হয়। আমাদের ছোটবেলার তুলনায় তাদের প্রজ্ঞা অনেক বেশি উন্নত।’

মাধবনের পেশাদার জীবনের গ্রাফও এখন ঊর্ধ্বমুখী। তাঁর অভিনীত ছবি ‘ধুরন্ধর ২’ বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছবিটি বিশ্বজুড়ে ১ হাজার ৭৮২ দশমিক ১৫ কোটি রুপি আয় করেছে। এটি ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ‘বাহুবলী: দ্য কনক্লুশন’-এর পর সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী ছবি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

এসএ/টিএ

মন্তব্য করুন