বিনিয়োগ সহজ ও বন্ধ কারখানা সচলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত
০২:১১ এএম | ০৫ মে, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ ও গতিশীল করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি কল-কারখানাগুলোতে যারা আন্তরিকভাবে বিনিয়োগ করতে চান, তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (৪ মে) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কল-কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং তা পুনরায় সচল করার লক্ষ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি টেকসই ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান সব ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা জরুরি।
তিনি প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও সময়োপযোগী করার ওপর জোর দিয়ে বলেন, যেসব মন্ত্রণালয় বা দপ্তরের অনুমোদন অপরিহার্য নয়, সেগুলোকে দ্রুত অনুমোদন প্রক্রিয়া থেকে বাদ দিতে হবে। বিনিয়োগকারী যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।
বন্ধ থাকা সরকারি কল-কারখানায় বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ঋণসুবিধা আরও সহজলভ্য করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বিডা-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বিটিএমসি- এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান, বিজেএমসি-এর চেয়ারম্যান কবির উদ্দিন সিকদারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানানো হয়েছে, সরকার এই নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে শিল্প খাতে এক নতুন গতির সঞ্চার করতে চায়, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এসকে/টিএ