© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

পাহাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার আন্তরিক: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

শেয়ার করুন:
পাহাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার আন্তরিক: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৩১ এএম | ০৫ মে, ২০২৬
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলা এবং পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।

সোমবার (৪ মে) রাজধানীর হোটেল রেডিশন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট আয়োজিত ‘হিন্দু-কুশ হিমালয় অঞ্চলে সমন্বিত জলবায়ু অভিযোজন সমাধান’ প্রকল্পের দিনব্যাপী সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন এমপি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেতা তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের টেকসই পরিবর্তন চান। তিনি একটি ‘রেইনবো নেশন’ অর্থাৎ অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈচিত্র্যময় এবং ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে কেউ যেন পিছিয়ে না পড়ে বা বৈষম্যের শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করা আমাদের সরকারের মূল লক্ষ্য।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন আরো বলেন, প্রকৃতির পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে বৃষ্টিপাতের ধরণ বদলাচ্ছে ও খরা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। এই সংকটময় প্রেক্ষাপটে কৃষি জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর জোর দেওয়া একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। তিনি উল্লেখ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী।

প্রধানমন্ত্রী চান পাহাড়ের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে সেখানকার সকল নাগরিকের জন্য আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে। দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত বৈষম্য দূর করে একটি সমৃদ্ধ জনপদ গড়ে তোলাই সরকারের অগ্রাধিকার ভাবনা। জনকল্যাণে, বিশেষ করে পাহাড়ের মানুষের কল্যাণে দেশি-বিদেশি সংস্থার গৃহীত যেকোনো ইতিবাচক প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, ইসিমোডের হাই-কাস প্রকল্পের সিনিয়র প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জেসিকা এমিলি ফুলউড থমাস, আরণ্যক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোতালেব, প্রকল্পের ফোকাল মো. ইমরানুল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য ফাদাং তাং রান্ডাল, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মে মে ন্যু মারমা এবং আরণ্যক ফাউন্ডেশনের প্রধান (যোগাযোগ ও অ্যাডভোকেসি) আরিফুর রহমান প্রমুখ।

সেমিনারে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক বোর্ড, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন