© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হলে ব্যানার টানানো নিয়ে ছাত্রদল ও হল সংসদের নেতাদের মধ্যে হাতাহাতি

শেয়ার করুন:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হলে ব্যানার টানানো নিয়ে ছাত্রদল ও হল সংসদের নেতাদের মধ্যে হাতাহাতি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:২৩ এএম | ০৬ মে, ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ব্যানার টানানো ও অপসারণকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও হল সংসদ নেতাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে হলের প্রধান ফটক এলাকায় উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা, ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্তত একজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, গত সোমবার হল সংসদের পক্ষ থেকে একটি ব্যানার টানানো হয়, যেখানে শাহবাগে হলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. জুলহাসের ওপর হামলার ঘটনায় মুহসীন হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিন হোসেনকে অভিযুক্ত করে তার ছবি সংযুক্ত করা হয়। ব্যানারটিতে হামলার কিছু দৃশ্যও তুলে ধরা হয়।

পরদিন মঙ্গলবার ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ব্যানারটি অপসারণ করলে হল সংসদের সদস্যরা পুনরায় সেটি টানিয়ে দেন। এভাবে একাধিকবার ব্যানার টানানো ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটে।

সর্বশেষ তৃতীয়বার ব্যানার টানানোর পর সেটি অপসারণ করতে গেলে হল সংসদের নেতাকর্মীরা বাধা দেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায় এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত হওয়ার দাবি করেছেন অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী মো. সালমান খান।

তিনি অভিযোগ করেন, ব্যানার রক্ষার সময় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা তাকে মাথায় ও হাতে আঘাত করেন, এতে তিনি রক্তাক্ত হন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা শাহজালাল বারীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) রিফাদ হাসান সাফওয়ান বলেন, শাহবাগে হামলার বিচার না হওয়ায় আমরা প্রতিবাদস্বরূপ ব্যানার টানিয়েছি। কিন্তু ছাত্রদল বারবার সেটি ছিঁড়ে ফেলছে।

হামলার বিচার ও জড়িতদের শাস্তি না হলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যাব।

হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) ছাদিক হোসেন সিকদার বলেন, “তিনবার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার পর আমরা বাধা দিলে আমাদের কর্মীর ওপর হামলা করা হয়। আমরা এর বিচার এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।”

এদিকে হল সংসদের নেতারা অভিযোগ করেছেন, ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং তারা ক্যাম্পাসে সহিংস রাজনীতির পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চায়।

ঘটনার বিষয়ে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইউটি/টিএ

মন্তব্য করুন