© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সেই মাদরাসা শিক্ষক কারাগারে, ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

শেয়ার করুন:
সেই মাদরাসা শিক্ষক কারাগারে, ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:২৯ পিএম | ০৬ মে, ২০২৬
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ধর্ষণে শিশু অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় তাকে আদালতে সোপর্দ করার পর অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মদন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম দেশের একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আখতারুজ্জামান আদালতের কাছে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আসামিকে আদালতে উপস্থিত করতে সন্ধ্যা হ‌‌ওয়ায় আজকে রিমান্ড আবেদনের শুনানি হয়নি। বিজ্ঞ আদালত আগামীকালকে শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে নেত্রকোণার মদন উপজেলায় শিশু ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১৪। বুধবার ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র‌্যাব-১৪ এর একটি অভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, ভোর সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলা থেকে র‌্যাব-১৪ (ময়মনসিংহ) এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। দুপুরে র‌্যাবের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, নেত্রকোণার মদন উপজেলায় শিক্ষকের ধর্ষণে ১২ বছরের এক মাদরাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আমান উল্লাহ সাগর। তিনি গ্রামের হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক।

গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মদন থানায় মেয়েটির মা আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।

টিজে/টিএ 

মন্তব্য করুন