© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

এলাকাভিত্তিক গণশুনানির পরিকল্পনা দক্ষিণ সিটির

শেয়ার করুন:
এলাকাভিত্তিক গণশুনানির পরিকল্পনা দক্ষিণ সিটির

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৫৩ এএম | ০৯ মে, ২০২৬
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম বলেছেন, এলাকাভিত্তিক গণশুনানির পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। সেখানে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের জনগণের সামনে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

শুক্রবার (৮ মে) রাতে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সেগুনবাগিচা সোসাইটি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুস সালাম বলেন, রাস্তা খারাপ, ময়লা অপসারণে অনিয়ম কিংবা অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগেরও সমাধান করা হবে। একটি এলাকায় বসবাস করলে স্বাভাবিকভাবেই সুখ-দুঃখ, অভাব-অভিযোগ থাকবে। তবে এসব সমস্যার সমাধানে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সামাজিক সমস্যার সমাধানও সামাজিকভাবেই সম্ভব। ট্যাক্স ব্যবস্থাপনায়ও অনিয়ম রয়েছে। অনেকেই ভবন সম্প্রসারণ করলেও সঠিক ট্যাক্স দেন না। এসব অনিয়ম বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রশাসক বলেন, নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা সরকারের ও সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব। জনগণ ট্যাক্স দেয় বলেই সরকার ও সিটি কর্পোরেশন সেই সেবাগুলো নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করে। তবে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে অনেক সমস্যা জটিল আকার ধারণ করেছে।

হকার উচ্ছেদে পদক্ষেপ নেওয়ায় সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেটা প্রয়োজন, সেটা করতেই হবে। জনগণের হাঁটার ফুটপাত জনগণের জন্যই রাখতে হবে। শুধু উচ্ছেদ নয়, হকারদেরও জীবিকার ব্যবস্থাও করতে হবে। তবে রাজধানীর সীমিত অবকাঠামোর মধ্যে অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা ছাড়া এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত রাখতে শুধু সিটি কর্পোরেশন বা পুলিশের পক্ষে সার্বক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়। এজন্য স্থানীয় বাসিন্দা, সমিতি ও সামাজিক সংগঠনগুলোরও দায়িত্ব রয়েছে।

আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানোর বিষয়ে আমাদের উদ্বেগ রয়েছে। কার্পেটের দোকান, চায়ের দোকান বা ফার্নিচারের শোরুম গড়ে ওঠার পেছনে স্থানীয়দেরও ভূমিকা রয়েছে। এসব শুরুতেই নিয়ন্ত্রণ করা গেলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।

এছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুরবস্থা, ম্যানহোলে ময়লা ফেলার কারণেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। বর্ষার আগে ড্রেন পরিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সেবা সংস্থা আলাদা আলাদা থাকায় সমন্বয়ের অভাব তৈরি হয়েছে। সার্বিক বিষয়ে একটি সমন্বিত সিটি অথরিটি গঠন খুব জরুরি।

আইকে/টিএ

মন্তব্য করুন