শুভেন্দুর শপথ গ্রহণের দিন পাল্টা কর্মসূচি মমতার
ছবি: সংগৃহীত
১০:০৪ এএম | ০৯ মে, ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিশেবে শনিবার ব্রিগেডে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় একই সময়ে কালীঘাটের বাড়ির চত্বরে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করবেন সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত থাকার কথা আছে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি কলকতার কালীঘাটে। সেই বাড়ির চত্বরেই আয়োজন করা হচ্ছে রবীন্দ্রজয়ন্তীর অনুষ্ঠান। দলের নেতৃত্বস্থানীয় সদস্যদের ডাকা হয়েছে এ অনুষ্ঠান পালনের কর্মসূচিতে। বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর এটিই তৃণমূলনেত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি।
শনিবার মমতার বাড়ির অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার সাবেক সদস্য ইন্দ্রনীল সেন এবং রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়ের। কোনও বড় আয়োজন করা হয়নি, তবে সময়ের নিরিখে এ কর্মসূচিকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন অনেকেই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দেওয়া এক পোস্ট দাবি করা হয়েছে, তিনটি জায়গায় অরাজনৈতিক সংগঠন রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনের অনুমতি চেয়েছিল পুলিশের কাছে। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি।
এছাড়া তৃণমূল কেন্দ্রীয় কমটির পক্ষ থেকে দলের সর্ব স্তরে বার্তা দেওয়া হয়েছে-যেখানে সম্ভব, সেখানে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করতে হবে। তবে ক্ষমতায় থাকার সময়ে রাখি পূর্ণিমা এবং রবীন্দ্রজয়ন্তী যে ভাবে সাড়ম্বরে পালন করত তৃণমূল, এ বার যে তেমন কিছু করার পরিস্থিতি নেই, তা দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বও জানেন। সেই মতোই বার্তা দেওয়া হয়েছে। তবে দলের পক্ষ থেকে এই মুহূর্তে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে ‘আক্রান্ত’ কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোকে।
রবীন্দ্রজয়ন্তী হলেও শনিবারের কর্মসূচি থেকে মমতা দলকে কোনও রাজনৈতিক এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচির বার্তা দেন কি না, সে দিকে নজর থাকবে সবার। দু’দিন আগে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে কালীঘাটের বাড়িতেই বৈঠক করেছিলেন মমতা। তার পর জেলা নেতৃত্বকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ‘বিজেপির হামলার প্রতিবাদে’ এলাকায় মিছিল করতে হবে। তবে রাজ্যের সর্বত্র তা করার পরিস্থিতি নেই বলে জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পর্যায়ের অধিকাংশ নেতা।
কেএন/টিএ