© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

গোয়ালন্দে স্কুলছাত্রীকে ‘প্রেমের ফাঁদে’ ফেলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

শেয়ার করুন:
গোয়ালন্দে স্কুলছাত্রীকে ‘প্রেমের ফাঁদে’ ফেলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৫১ এএম | ১১ মে, ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে সপ্তম শ্রেণির স্কুল শিক্ষার্থীকে (১৩) প্রেমের ফাঁদে ফেলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নাফিস মণ্ডল (১৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার মূল হোতা কথিত প্রেমিক রায়হান শেখ (১৮) বর্তমানে পলাতক রয়েছে।

আটক নাফিস গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ফকির পাড়া গ্রামের এলেম মণ্ডলের ছেলে। পলাতক রায়হান উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের হাউলি কেউটিল গ্রামের আবদুল কুদ্দুস শেখের ছেলে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের ভাষ্যমতে, ওই কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। স্কুলে যাতায়াতের পথে রায়হান শেখের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত শনিবার (৯ মে) রাত ১০টার দিকে রায়হান ওই ছাত্রীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাকে বাইরে আসতে বলে। কিশোরী প্রথমে অস্বীকৃতি জানালেও রায়হানের জোরাজুরিতে সে ঘর থেকে বের হয়।

এরপর রায়হান তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে গোয়ালন্দ পৌর শহরের নগর রায়েরপাড়া এলাকার একটি নির্জন পুকুরপাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে রায়হান এবং পরে তার বন্ধু নাফিস ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে।

এরপর রাত ১২টার দিকে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী কিশোরীকে তার বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছে দিতে যায়। এ সময় তাদের অস্বাভাবিক আচরণ ও কিশোরীর অবস্থা দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।

স্থানীয়রা জড়ো হতে থাকলে নাফিস পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে। কিন্তু কথিত প্রেমিক রায়হান শেখ কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গভীর রাত হওয়া নাফিসকে ফরিদ নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে আটকে রাখা হয়। সকালে খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ নাফিসকে হেফাজতে নেয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানায়, ধর্ষণের সময় সে বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা তার মুখ ও হাত চেপে ধরে এবং চিৎকার করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের অভিযোগে নাফিস নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষাসহ পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি আরও জানান, ঘটনার মূল হোতা রায়হানকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন