© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

তৃণমূল কংগ্রেসের কারণেই মেসির তিক্ত অভিজ্ঞতা, দাবি আয়োজকের

শেয়ার করুন:
তৃণমূল কংগ্রেসের কারণেই মেসির তিক্ত অভিজ্ঞতা, দাবি আয়োজকের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:১৩ পিএম | ১১ মে, ২০২৬
লিওনেল মেসির ভারত সফর আয়োজন নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন ভারতের ক্রীড়া উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। কলকাতায় মেসিকে ঘিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যর্থতার ঘটনায় তিনি গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন। 

কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাত্র ২৫ মিনিট অবস্থানের পরই মেসি স্টেডিয়াম ছাড়েন। অভিযোগ ওঠে, পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল চরম অব্যবস্থাপনা ও দর্শক নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের ব্যর্থতা। এরপর থেকেই ঘটনাটি ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

এক সাক্ষাৎকারে শতদ্রু দত্ত বলেন, ‘অবশ্যই আমি অনুতপ্ত। চাইলে অন্য কোথাও এই আয়োজন করে আরও বেশি অর্থ আয় করতে পারতাম। কিন্তু কলকাতার মানুষ হিসেবে আমি চেয়েছিলাম এখানকার ফুটবলপ্রেমীরা এই অভিজ্ঞতা পাক। কখনও ভাবিনি একজন অপরিণত মানুষের (মমতা ব্যানার্জির দল তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতা) ব্যক্তিগত প্রচারণার কারণে পুরো অনুষ্ঠানটাই নষ্ট হয়ে যাবে।’

ঘটনার পর পুলিশ আয়োজক শতদ্রুকে গ্রেপ্তার করে এবং ৩৮ দিন হাজতেও থাকতে হয়। পরে তিনি পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও ব্ল্যাকমেইলের কারণেই পুরো আয়োজন ভেস্তে গেছে।

শতদ্রু বলেন, ‘মেসির প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের বীমা ছিল। মাঠে তার কিছু হলে সেটি জাতীয় লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়াত। এ কারণেই মেসির দল সিদ্ধান্ত নেয় অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। মেসি এমন পরিস্থিতি পছন্দ করেন না, যেখানে চারপাশে অতিরিক্ত ভিড় তৈরি হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে আমি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠান আয়োজন করছি, কিন্তু এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। সাধারণত দু-একটি অতিরিক্ত ছবি তোলা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু এখানে কেউ এটিকে ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে পরিণত করেছিল। আমলা, পরিবারের সদস্যসহ নানা মানুষকে মাঠে এনে ছবি তোলা হচ্ছিল।’

তার অভিযোগ, মাঠে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি, ‘আমি বারবার অনুরোধ করছিলাম মাঠ খালি করতে। কিন্তু কেউ কথা শোনেনি। স্টেডিয়ামের ভেতরে অন্তত এক হাজার পুলিশ সদস্য ছিলেন।’

সূত্র-  এনডিটিভি


এবি/টিএ

মন্তব্য করুন