© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

তুরস্কের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের দ্বিপক্ষীয় আলোচনা

শেয়ার করুন:
তুরস্কের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের দ্বিপক্ষীয় আলোচনা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:২২ পিএম | ১৩ মে, ২০২৬
বাংলাদেশ সফররত টার্কিশ ইলেক্ট্রো টেকনোলজি এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (টিইটি) সহসভাপতি বুরাক বাসেগমেজলারের নেতৃত্বে সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৩) ডিসিসিআই গুলশান সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। এ ধরনের উচ্চ পর্যায়ের সফর দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরো সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের মোট দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.০৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এর মধ্যে বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানির পরিমাণ যথাক্রমে ৪১৬.৭৬ মিলিয়ন ও ৬৩৪.৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ ছাড়া তুরস্কের উদ্যোক্তারা ইতোমধ্যে বাংলাদেশে প্রায় ৭৪.০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছেন। তিনি তৈরি পোশাক, চামড়া ও পাদুকা শিল্প, পাটজাত পণ্য, কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত পণ্য, ওষুধ শিল্প, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, তথ্য-প্রযুক্তি সেবা ও সফটওয়্যার, হোম টেক্সটাইল এবং ভোগ্যপণ্যসহ সম্ভাবনাময় খাতে একক ও যৌথ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

প্রতিনিধিদলের প্রধান বুরাক বাসেগমেজলার বলেন, ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও জেনারেটরের মতো পণ্যের বাংলাদেশে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

এ খাতে তুর্কি উদ্যোক্তারা একক ও যৌথ বিনিয়োগে আগ্রহী। তিনি আরো জানান, চলতি বছরের নভেম্বরে তুরস্কের ইলেকট্রনিক খাতের উদ্যোক্তাদের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে বিজনেস-টু-বিজনেস (B2B) বৈঠকের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্ভাবনা অনুসন্ধান করা হবে।

তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার করা প্রয়োজন। তিনি মনে করেন, ঢাকা চেম্বার এ ক্ষেত্রে একটি কার্যকর সেতুবন্ধের ভূমিকা পালন করতে পারে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি রাজীব এইচ চৌধুরী, সহসভাপতি মো. সালিম সোলায়মানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

টিকে/

মন্তব্য করুন