মঞ্চ মাতানো মার্টিন গ্যারিক্সের জন্মদিন আজ
ছবি: সংগৃহীত
০৪:৫৯ পিএম | ১৪ মে, ২০২৬
আলো ঝলমলে মঞ্চ, হাজারো দর্শকের উন্মাদনা আর কানে বাজতে থাকা তুমুল বিট- এই আবহের সঙ্গে যার নাম যেন অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে, তিনি মার্টিন গ্যারিক্স। বিশ্বজুড়ে কোটি সংগীতপ্রেমীর হৃদস্পন্দনে জায়গা করে নেওয়া এই ডাচ ডিজে ও সংগীত প্রযোজকের আজ জন্মদিন।
মার্টিন জেরার্ড গ্যারিটসেন নামেই জন্ম তাঁর। তবে গোটা বিশ্ব তাঁকে চেনে মার্টিন গ্যারিক্স নামে। কখনও ‘ইট্রাম’, কখনও ‘জিআরএক্স’ পরিচয়েও সংগীত নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন তিনি। অল্প বয়সেই ইলেকট্রনিক সংগীত দুনিয়ায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করে ফেলেন এই তারকা।
মাত্র একটি গানই বদলে দিয়েছিল তাঁর জীবন। ‘অ্যানিম্যালস’ প্রকাশের পর রাতারাতি আন্তর্জাতিক খ্যাতি পান মার্টিন গ্যারিক্স। সেই গানের তালে মেতেছিল গোটা বিশ্ব। এরপর ‘ইন দ্য নেম অব লাভ’ এবং ‘স্কেয়ার্ড টু বি লোনলি’র মতো জনপ্রিয় গান তাঁকে পৌঁছে দেয় নতুন উচ্চতায়। তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি হয়ে ওঠেন এক আলাদা উন্মাদনার নাম।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংগীত উৎসবগুলোর নিয়মিত মুখ মার্টিন গ্যারিক্স। কোচেলা, টুমোরোল্যান্ড, আল্ট্রা মিউজিক ফেস্টিভ্যাল, ইলেকট্রিক ডেইজি কার্নিভাল কিংবা ক্রিমফিল্ডস— প্রতিটি মঞ্চেই নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে দর্শকদের মাতিয়েছেন তিনি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে আল্ট্রা মিউজিক ফেস্টিভ্যালে প্রধান শিল্পী হিসেবে পারফর্ম করে গড়েছিলেন বিশেষ রেকর্ড। সেই সময় এত বড় মঞ্চে প্রধান ডিজে হিসেবে ওঠা সবচেয়ে কম বয়সি শিল্পী ছিলেন তিনি।
শুধু মঞ্চ কাঁপানো নয়, বিশ্বসেরাদের তালিকাতেও নিজের আধিপত্য দেখিয়েছেন মার্টিন। ‘ডিজে ম্যাগ’-এর বিশ্বের সেরা ১০০ ডিজের তালিকায় পাঁচবার এক নম্বর স্থান দখল করেছেন তিনি। ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৪ সালে তাঁর এই সাফল্য সংগীতজগতে আরও দৃঢ় করেছে অবস্থান।
সংগীত প্রযোজক হিসেবেও আলাদা পরিচিতি রয়েছে তাঁর। স্পিনিন রেকর্ডস ছাড়ার পর ২০১৬ সালে নিজস্ব সংগীত প্রতিষ্ঠান ‘স্ট্যাম্পড রেকর্ডস’ গড়ে তোলেন মার্টিন। পরে সনি মিউজিকের সঙ্গেও যুক্ত হন তিনি। নিজের সৃষ্টিশীলতা আর নতুন ধারার সংগীত দিয়ে এখনও বিশ্ব সংগীতাঙ্গনে সমান জনপ্রিয় এই তারকা।
জন্মদিনে তাই বিশ্বের নানা প্রান্তের অনুরাগীরা শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিচ্ছেন মার্টিন গ্যারিক্সকে। ইলেকট্রনিক সংগীতের এই উজ্জ্বল তারকা নতুন বছরে আরও নতুন চমক উপহার দেবেন, এমন প্রত্যাশাই তাঁর ভক্তদের।
এসএ/এসএন