© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

১১ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ পুনর্বিবেচনার দাবি জামায়াতের

শেয়ার করুন:
১১ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ পুনর্বিবেচনার দাবি জামায়াতের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৪৬ পিএম | ১৫ মে, ২০২৬
দলীয় বিবেচনায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যায়ে উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ দেওয়ায় গভীর উদ্বেগ এবং তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠসমূহে এভাবে দলীয়করণের সংস্কৃতি চালু করা জাতির জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে করে দলটি।

আজ শুক্রবার জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান। দলের পক্ষ থেকে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগ পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দেশের ১১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি নিয়োগ দেয় বিএনপি সরকার।

এই নিয়োগ দলীয় বিবেচনায় করা হয়েছে দাবি করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমরা এভাবে ভিসি নিয়োগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

জনগণ মনে করে, এসব নিয়োগে যোগ্যতা, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় আনুগত্য ও রাজনৈতিক বিবেচনাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠসমূহে এভাবে দলীয়করণের সংস্কৃতি চালু করা জাতির জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

দলীয় বিবেচনায় প্রশাসক নিয়োগের পর সমালোচনা থেকে শিক্ষা না নিয়ে সরকারের অগণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহেও বিস্তৃত করা হচ্ছে বলে মন্তব্য মিয়া গোলাম পরওয়ারের। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় হলো মুক্তবুদ্ধি, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার কেন্দ্র।

সেখানে দলীয় বিবেচনায় প্রশাসনিক পদে নিয়োগ দেওয়া হলে শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি হয় এবং শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক একাডেমিক পরিবেশ বিনষ্ট হয়। অতীতে দলীয়করণের কারণে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে অস্থিরতা, সেশনজট ও সহিংসতা সৃষ্টি হয়েছিল, জনগণ আবারও সেই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না।”

বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক কর্মকাণ্ডে প্রতীয়মান হচ্ছে যে তারা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পথেই অগ্রসর হচ্ছে, অভিযোগ গোলাম পরওয়ারের।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি, বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ভিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, গ্রহণযোগ্যতা ও একাডেমিক যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। অথচ সরকার তা না করে অগণতান্ত্রিক ও পক্ষপাতদুষ্ট পন্থা অবলম্বন করেছে, যা জাতির সঙ্গে প্রকারান্তরে প্রতারণার শামিল।

অবিলম্বে এসব নিয়োগ পুনর্বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত।

এমআই/টিকে

মন্তব্য করুন