© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ঈদের আগে রপ্তানি প্রণোদনার ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়, বড় অংশ পেল তৈরি পোশাক খাত

শেয়ার করুন:
ঈদের আগে রপ্তানি প্রণোদনার ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়, বড় অংশ পেল তৈরি পোশাক খাত

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৩৯ পিএম | ১৬ মে, ২০২৬
ঈদের আগে রপ্তানিকারকদের জন্য এলো স্বস্তির খবর। বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা হওয়া রপ্তানি খাতের বকেয়া নগদ প্রণোদনা (ক্যাশ ইনসেনটিভ) বাবদ ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে বড় অংশ পেয়েছে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্প।

শনিবার (১৬ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জমা হওয়া সব আবেদন নিষ্পত্তি করে এ অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। মোট প্রণোদনার প্রায় ৯৩ দশমিক ৫ শতাংশ, অর্থাৎ ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা পেয়েছে তৈরি পোশাক শিল্প। অবশিষ্ট অর্থ পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানির বিপরীতে পরিশোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, রপ্তানিকারকদের প্রণোদনার অর্থ দ্রুত ছাড়ের ফলে তাদের তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো এবং রপ্তানি খাতের গতি ধরে রাখতে এ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রপ্তানি আয় বাড়ানো এবং বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ শক্তিশালী করতে সরকার বিভিন্ন সময়ে নগদ সহায়তা দিয়ে আসছে। নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী রপ্তানিকারকেরা পণ্য রপ্তানির বিপরীতে এই প্রণোদনা পেয়ে থাকেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে নগদ সহায়তার আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। তবে চলতি অর্থবছরে বকেয়া আবেদনগুলো পরিশোধের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেই চাপ অনেকটাই কমাতে পেরেছে। এমন পদক্ষেপ রপ্তানিমুখী শিল্পে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়াতেও সহায়ক হবে বলে মনে করছেন তারা।

চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের মতোই জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত রপ্তানি প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা বহাল রেখেছে সরকার। জাহাজীকরণ পণ্যের ক্ষেত্রে রপ্তানি প্রণোদনা এবং নগদ সহায়তার হার পণ্যভেদে সর্বনিম্ন ০.৩ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। মোট ৪৩টি পণ্য ও সেবা খাত এই সুবিধার আওতায় রয়েছে।


ইউটি/টিএ

মন্তব্য করুন