হাসানুল হক ইনু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে পারেন: জাসদ
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৩১ পিএম | ১৭ মে, ২০২৬
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি।
রোববার ১৭ মে দেওয়া এক বিবৃতিতে জাসদ এ আশঙ্কার কথা জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বর্তমান বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
বিবৃতিতে জাসদ দাবি করে, ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনকে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার আমলে অধ্যাদেশ জারি করে উল্টে দেয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত এই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১৯৭১ সালের চিহ্নিত ও আত্মস্বীকৃত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছিল। ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার বন্ধ করে এখন হাসানুল হক ইনুর মতো স্বাধীনতা সংগ্রামী ও মুক্তিযোদ্ধার বিচার হচ্ছে। ২০২৪ সালের আগে এই ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে আইনজীবীদেরই ৫ আগস্টের পর প্রসিকিউটর হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই ঘটনাই প্রমাণ করে বর্তমান ট্রাইব্যুনালের বিচারের উদ্দেশ্যের মধ্যেই প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি।
রোববার ১৭ মে দেওয়া এক বিবৃতিতে জাসদ এ আশঙ্কার কথা জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বর্তমান বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
বিবৃতিতে জাসদ দাবি করে, ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনকে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার আমলে অধ্যাদেশ জারি করে উল্টে দেয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত এই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১৯৭১ সালের চিহ্নিত ও আত্মস্বীকৃত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছিল। ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার বন্ধ করে এখন হাসানুল হক ইনুর মতো স্বাধীনতা সংগ্রামী ও মুক্তিযোদ্ধার বিচার হচ্ছে। ২০২৪ সালের আগে এই ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে আইনজীবীদেরই ৫ আগস্টের পর প্রসিকিউটর হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই ঘটনাই প্রমাণ করে বর্তমান ট্রাইব্যুনালের বিচারের উদ্দেশ্যের মধ্যেই প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
বিবৃতিতে জাসদ আরও উল্লেখ করে, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে হাসানুল হক ইনু কোনো সরকারি বা প্রশাসনিক দায়িত্বে ছিলেন না, তিনি মন্ত্রী এমনকি এমপিও ছিলেন না। পুলিশ বা প্রশাসনকে কোনো নির্দেশ দেয়ার ক্ষমতা বা এখতিয়ারও তার ছিল না। উক্ত সময়কালে কোনো রাষ্ট্রীয় বা সরকারি বা প্রশাসনকি সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা নির্দেশ প্রদানকে সামান্যতম প্রভাবিত করার কোনো সুযোগ তার ছিল না। তারপরও প্রসিকিউশন তার উপর সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির দায় চাপানোর চেষ্টা করেছে। এসব ঘটনা প্রমাণ করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যেই হাসানুল হক ইনুকে টার্গেট করা হয়েছে।
ইউটি/টিএ