© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

পুলিশের সঙ্গে ভাগ-বাটোয়ারায় যুক্ত বিএনপি নেতারা : রুমিন ফারহানা

শেয়ার করুন:
পুলিশের সঙ্গে ভাগ-বাটোয়ারায় যুক্ত বিএনপি নেতারা : রুমিন ফারহানা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৩২ পিএম | ২০ মে, ২০২৬
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা এবং সুবিধা আদায়ের অভিযোগ প্রায় গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত হয়। এ অভিযোগগুলোর মধ্যে চাঁদাবাজি, মামলার রফাদফা এবং সরকারি ত্রাণসামগ্রী বিতরণে অনিয়ম অন্যতম।

সাম্প্রতিক এক আলোচনায় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের টাকা ভাগ-বাটোয়ারা ও মামলা বাণিজ্যসংক্রান্ত এমন তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে পুলিশের সরাসরি যোগাযোগ থাকে। নেতারা পুলিশের সঙ্গে যোগসাজশে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মামলায় কাদের আসামি করা হবে এবং কিভাবে করা হবে, তা নির্ধারণ করেন।’

তিনি বলেন, ‘হাম নিয়ে যখন আমি প্রশ্ন তুললাম আমাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেন- এটা নিয়ে এত কথা বলা যাবে না, ভয় পেয়ে যাবে।

ভয় পেলে ইমিউনিটি নষ্ট হয়ে যায়। আমি বললাম আমরা কি ৩০০ জন হামের রোগীর সামনে কথা বলতেছি। সরকার যখন বাটপারি করে যে সরকার হোক এটা খুব মজা লাগে আমার। যে সরকার বালুর মধ্যে মুখ বুঝে মনে করে কেউ দেখে না, কেউ বুঝে না।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘পুলিশের সঙ্গে টাকা পয়সা লোকাল বিএনপির লিডাররা ভাগ-বাটোয়ারা করে বাণিজ্য করার জন্য ভয় দেখানো হয় ফোন দিয়ে। নাম কিন্তু দিয়ে দিব টাকা না দিলে। এত টাকা দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আপনি যা করে যাবেন তার কয়েক গুণ আপনার ওপরে ফিরে আসবে। দীর্ঘদিন একদলীয় শাসন দেখেছি। এখনো তার ধারাবাহিকতা চলছে। তখন বিএনপি জামায়াতকে খেলার মাঠের বাইরে রেখে একরকমভাবে সংসদকে সাজানো হয়েছে।’

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এখন আওয়ামী লীগ এবং বাম দলগুলোকে বাইরে রেখে আরেকভাবে সংসদকে চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশ আজকে যে অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে এ ধরনের একটি সংগঠন তৈরি করা এবং সেই সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদের প্রত্যেকের আমরা যারা আদালত পাড়ায় কাজ করি দীর্ঘ সময় কাজ করেছি।

একই সঙ্গে আমরা যারা রাজনীতির মাঠে সক্রিয় আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব হবে এ সংগঠনের মতন সংগঠনকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া এবং তারা যাতে স্বাধীনভাবে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের স্বার্থে সেটা নিশ্চিত করা। আমরা জানি রাষ্ট্রের তিনটা স্তম্ভ—নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ ও আইন বিভাগ। নির্বাহী বিভাগ এবং আইন বিভাগ মোটামুটি একই রকম।

কারণ নির্বাহী বিভাগের যিনি প্রধান তিনি আইনসভার প্রধান হন। এক অর্থে তাকে সংসদ নেতা বলা হয়। যিনি প্রধানমন্ত্রী, তিনি সংসদ নেতা। বাকি থাকে শুধু বিচার বিভাগ এবং সে কারণে দেখা যায় নির্বাহী বিভাগ বলেন, আর রাজনৈতিক দল বলেন, তাদের প্রধান লক্ষ্য থাকে কী করে বিচার বিভাগের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা যায়।’

আইকে/টিএ

মন্তব্য করুন