© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আমরা উড়ে এসে জুড়ে বসিনি, ধমক দিয়ে লাভ নেই: মির্জা ফখরুল

শেয়ার করুন:
আমরা উড়ে এসে জুড়ে বসিনি, ধমক দিয়ে লাভ নেই: মির্জা ফখরুল

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৪৬ পিএম | ২০ মে, ২০২৬
রাজনৈতিক বিরোধীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা তো উড়ে এসে জুড়ে বসিনি। আমাদের ধমক দিয়ে লাভ নেই। ১৭টি বছর আন্দোলন করেছি, জেলে গেছি।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা পরিষদ চত্বরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন, শারীরিকভাবে অক্ষম ও প্রশিক্ষিত নারীদের জীবনমান উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকল্পে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠান শেষে তিনি উপকারভোগীদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন।
 
অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেব দিনরাত পরিশ্রম করছেন। দেশে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করছেন। আপনারা জানেন, এরই মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড চালু হয়েছে।’
 
নতুন রাজনৈতিক জোটের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘কিছু সংখ্যক রাজনৈতিক দল মিলে ১১ দলীয় জোট করেছে। তারা বলছে, জুলাই সনদ অনুযায়ী আইন না করলে দেশে অঘটন ঘটাবে। আমরা তো উড়ে এসে জুড়ে বসিনি। আমাদের ধমক দিয়ে লাভ নেই।’
 
এর আগে ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর পরিদর্শনে গিয়ে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এবং একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত। 

সভায় তারা বলেন, ‘আগামী দুই বছরের মধ্যে ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালু করা হবে। তখন এখান থেকেই আমরা বিমানে উঠতে পারব।’
 
এ সময় বিরোধীদের সমালোচনা করে তারা বলেন, ‘কিছু দল বা গোষ্ঠী অপপ্রচার চালাতে চায়। আমরা নাকি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চাই না। মিথ্যাচার করবেন না, জনগণ আপনাদের ক্ষমা করবে না। একটি দল ধর্মের নামে রাজনীতি করে আর মিথ্যা কথা বলে। এই জামায়াতে ইসলামী কোনোদিন ক্ষমতায় আসবে না, তারা দেশকে ধ্বংস করেছে।’
 
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিভিল এভিয়েশন) তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকার ২১৫ একর জমির ওপর এই বিমানবন্দরটি নির্মাণ করে। ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যাত্রীবাহী বিমান যোগাযোগ থাকলেও ১৯৮০ সালে তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
 
দীর্ঘ ৪৬ বছর ধরে অব্যবহৃত থাকায় নষ্ট হচ্ছে বিমানবন্দরের রানওয়ে, ভবনসহ সব সরঞ্জাম। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে বারবার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা আশ্বাস দিলেও বিমানবন্দরটি আজও চালু হয়নি।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন