© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

৪৬ বছরেও অবিবাহিত, বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন রাইমা সেন

শেয়ার করুন:
৪৬ বছরেও অবিবাহিত, বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন রাইমা সেন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৪৬ এএম | ২৫ মে, ২০২৬
রূপালি পর্দায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে নিজের অভিনয় আর ব্যক্তিত্ব দিয়ে আলাদা জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন রাইমা সেন। একের পর এক প্রশংসিত সিনেমায় অভিনয় করলেও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই খানিক রহস্যময় থেকেছেন তিনি। বয়স পেরিয়েছে ৪৬, তবু এখনও অবিবাহিত অভিনেত্রী। আর এবার নিজের বিয়ে না করার কারণ নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন তিনি।

সম্প্রতি নতুন সিনেমার প্রচারে এসে প্রেম, সম্পর্ক আর বিয়ে নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানান রাইমা। অভিনেত্রীর কথায়, প্রেমে তিনি আজও বিশ্বাস করেন। ভালোবাসা ছাড়া জীবনকে অর্থহীন বলেও মনে করেন তিনি। তবে শুধু সমাজের চাপে বা বয়সের কারণে বিয়ে করার পক্ষপাতী নন একেবারেই।

রাইমা জানান, এখনও পর্যন্ত এমন কাউকে খুঁজে পাননি, যার সঙ্গে সারাজীবন কাটানোর ইচ্ছে জেগেছে তাঁর। অনেকেই জীবনে এসেছেন, কেউ তাঁকে পছন্দও করেছেন, কিন্তু মনের মতো মানুষ আর পাওয়া হয়নি। অভিনেত্রীর মতে, সম্পর্কে সবচেয়ে জরুরি মানসিক মিল। এমন একজন সঙ্গী চান, যিনি জীবনকে খুব বেশি জটিল করে দেখবেন না, আবার তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টাও করবেন না।

নিজের জীবনদর্শন নিয়েও স্পষ্ট কথা বলেছেন অভিনেত্রী। তাঁর বিশ্বাস, জীবন খুব ছোট। তাই যতদিন বাঁচা যায়, আনন্দে আর নিজের মতো করে বাঁচাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত সিরিয়াস হয়ে জীবন কাটানোর মধ্যে কোনো আনন্দ দেখেন না তিনি। আর সেই কারণেই হয়তো এখনও একাই পথ চলছেন রাইমা।



অভিনেত্রী আরও জানান, তিনি কখনও আলাদা করে জীবনসঙ্গী খোঁজার চেষ্টা করেননি। তাঁর জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাই আচমকা এসেছে। সিনেমার সুযোগ যেমন হঠাৎ এসেছে, তেমনই একদিন হয়তো হঠাৎ করেই জীবনে আসবেন মনের মানুষও।

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সুচিত্রা সেনের নাতনি রাইমা। মা মুনমুন সেনও ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ। পরিবারে অভিনয়ের ঐতিহ্য থাকলেও নিজের অভিনয়গুণেই দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। ‘চোখের বালি’, ‘অনুরণন’, ‘২২শে শ্রাবণ’সহ একাধিক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন রাইমা।

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হলেও নিজের সিদ্ধান্তে আজও অনড় অভিনেত্রী। সমাজের চেনা নিয়মের বাইরে গিয়ে নিজের মতো করে জীবন উপভোগ করতেই বেশি স্বচ্ছন্দ তিনি।

পিআর/টিকে

মন্তব্য করুন