© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনা, হাজিদের সার্বক্ষণিক খোঁজ নিচ্ছেন ধর্মমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনা, হাজিদের সার্বক্ষণিক খোঁজ নিচ্ছেন ধর্মমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৩৮ এএম | ২৬ মে, ২০২৬
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে মিনায় অবস্থানের মধ্য দিয়ে। সোমবার সকাল থেকে তাঁবুর শহর মিনা ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লাখো হাজির সঙ্গে বাংলাদেশি হাজিরাও মিনায় অবস্থান করছেন।

মিনায় অবস্থানরত বাংলাদেশি হাজিদের তাঁবুতে গিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি বিভিন্ন তাঁবু পরিদর্শন করে হাজিদের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি হাজিদের খবর নিতে প্রতিনিধি টিম নিয়োজিত করেছেন। হাজিদের তাঁবুগুলোতে একসঙ্গে হজের মাসআলা-মাসায়েল, দোয়া ও ধর্মীয় আলোচনা চলছে।

এদিকে ধর্মমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে মিনায় অবস্থানরত বাংলাদেশি হাজিদের জন্য বিশেষ হাদিয়া হিসেবে পাঁচ হাজার প্যাকেট উন্নতমানের খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।

জানা গেছে, রোববার রাত ১০টার পর থেকেই হাজিরা মিনার উদ্দেশে রওয়ানা হন। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী হাজিরা মিনায় অবস্থান করে ফজর থেকে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। মিনায় রাত্রিযাপন শেষে মঙ্গলবার আরাফাতের উদ্দেশে রওনা হবেন তারা।

আরাফায় অবস্থান হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেখানে খুতবার পর হাজিরা একসঙ্গে যোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন। এ বছর হজের খুতবা প্রদান করবেন শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি। সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফায় অবস্থান শেষে হাজিরা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হবেন।

মুজদালিফায় মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় শেষে খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করবেন হাজিরা। পরদিন ভোরে তারা আবার মিনায় ফিরে বড় জামারায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন। এরপর পশু কুরবানি ও মাথা মুণ্ডনের মাধ্যমে হজের গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।

এদিকে, অনুমতিপত্র ছাড়া কেউ যাতে হজ পালন করতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সৌদি সরকার। মিনায় প্রবেশের পথে বিভিন্ন স্থানে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। প্রত্যেক হাজির জন্য ‘নুসুক’ কার্ড দৃশ্যমান রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

তীব্র গরমের কারণে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত তাঁবুর ভেতরে অবস্থান করার জন্য হাজিদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে সৌদি প্রশাসন। পাশাপাশি সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা, ছাতা ব্যবহার এবং বেশি বেশি পানি ও তরল খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন