© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে নৌপথে ঈদযাত্রা

শেয়ার করুন:
বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে নৌপথে ঈদযাত্রা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:৫০ এএম | ২৬ মে, ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে বৈরী আবহাওয়া, ঝড় ও বৃষ্টি উপেক্ষা করেই নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ। ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের নৌ যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ঘরমুখো যাত্রীরা ঢাকা ছেড়েছে।

সোমবার (২৫ মে) বিকালে সরেজমিনে সদরঘাট ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকা এবং দফায় দফায় বৃষ্টি হওয়া সত্ত্বেও দুপুরের পর থেকে টার্মিনালে যাত্রীদের উপস্থিতি ব্যাপক হারে বাড়তে থাকে।

বৃষ্টির কারণে ব্যাগ-লাগেজ ও পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘাটে পৌঁছাতে যাত্রীদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে। তবে সন্ধ্যা সাতটার দিকে যাত্রীদের চাপ অনেকটা কমে এসেছে।

যাত্রীরা বলছেন- গুলিস্তান, পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার ও ভিক্টোরিয়া পার্ক এলাকার তীব্র যানজট ঠেলে অনেককে পায়ে হেঁটে সদরঘাটে পৌঁছাতে হয়েছে।

পটুয়াখালী ও বরিশালগামী একাধিক লঞ্চের যাত্রীরা জানান, ঝড়-বৃষ্টির কারণে কিছুটা ভোগান্তি হলেও পরিবারের সঙ্গে ঈদ করার আনন্দের কাছে এই কষ্ট কিছুই না। যাত্রীদের চাপ না থাকায় লঞ্চে নির্বিঘ্নে যাত্রীরা ভ্রমণ করেছে, তবে কেবিন বুকিং পেতে অনেকেই বেগ পেতে হয়েছে।

এদিকে সোমবার সন্ধ্যায় সদরঘাটে ঢাকা নদীবন্দর পরিদর্শনে আসেন নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। এ সময় তিনি যাত্রীদের খোঁজখবর নেন।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্টরা জানান, সকালের দিকে যাত্রীচাপ স্বাভাবিক থাকলেও দুপুরের পর লঞ্চগুলোতে যাত্রীচাপ কিছুটা বেড়েছে, তবে সন্ধ্যার পরেই স্বাভাবিক হয়ে আসে। কোনো কোনো নৌরুটে যাত্রী পূর্ণ হওয়া মাত্রই লঞ্চ ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। যাত্রীচাপ সামলাতে নিয়মিত লঞ্চের পাশাপাশি বিশেষ লঞ্চ সার্ভিসও যুক্ত করা হয়েছে। এদিন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে অন্তত শতাধিক লঞ্চ ছেড়ে গেছে এবং অর্ধশতাধিক লঞ্চ যাত্রী নিয়ে ফিরেছে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য সতর্কবার্তা জারি করায় নৌপথে চলাচলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টার্মিনাল ও পন্টুন এলাকায় নৌপুলিশ, কোস্ট গার্ড, র‍্যাব ও আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং অতিরিক্ত যাত্রীবহন রোধে নিয়মিত ম্যাজিস্ট্রেট ও টহল দল কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন