© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

চীনের সাথে ১.২২ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি পাকিস্তানের

শেয়ার করুন:
চীনের সাথে ১.২২ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি পাকিস্তানের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:২১ এএম | ২৬ মে, ২০২৬
মিত্র চীনের সাথে ১.২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে পাকিস্তান। সোমবার (২৫ মে) পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়। খবর আরব নিউজের।

তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরিফ এবং ঝেজিয়াং প্রদেশের গভর্নর মি. লিউ জিয়ে হাংঝুতে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান-চীন বিজনেস কনফারেন্সে পাকিস্তানি ও চীনা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১.২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এমওইউ ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের সাক্ষী ছিলেন।

তারা আরও জানায়, শেহবাজ শরিফ গত শনিবার (২২ মে) চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছান। সফরের লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণ, যখন পাকিস্তান ও চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন করছে।

এছাড়া, ইসলামাবাদ নতুন করে উৎপাদন, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ইলেকট্রিক ভেহিকল ও স্মার্ট মোবিলিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে বিনিয়োগ করবে চাইনিজ ফার্মগুলো।

এই চুক্তিগুলো এমন সময়ে এসেছে যখন পাকিস্তান ৭ বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বেইলআউট কর্মসূচির আওতায় বিদেশি বিনিয়োগ পুনরুজ্জীবিত ও অর্থনীতি স্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে ইসলামাবাদ চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (সিপিইসি) এর বৃহৎ অবকাঠামো ও বিদ্যুৎ প্রকল্পের বাইরে বিস্তৃত করতে চাইছে। ২০১৫ সালে চালু হওয়া বহুমূল্যের এই চীনা বিনিয়োগ উদ্যোগ পাকিস্তানে সড়ক, বন্দর ও জ্বালানি স্থাপনা নির্মাণ করেছে।

পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানায়, বর্তমানে পাকিস্তান ও চীন সহযোগিতার পরবর্তী ধাপে গুরুত্ব দিচ্ছে, যা শিল্প উন্নয়ন, উৎপাদন, কৃষি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং রপ্তানিমুখী বিনিয়োগকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে।

এদিকে, চীন পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগকারী এবং সিপিইসি’র আওতায় অবকাঠামো, পরিবহন ও জ্বালানি প্রকল্পে ৬৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই উদ্যোগটি বেইজিংয়ের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অংশ, যার লক্ষ্য বৈশ্বিক বাণিজ্য ও সংযোগ সম্প্রসারণ।

এমআর/টিকে  

মন্তব্য করুন