স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়, ২ ট্রেনে বিলম্ব
ছবি: সংগৃহীত
১০:৫৫ এএম | ২৬ মে, ২০২৬
ঈদুল আজহার ছুটির দ্বিতীয় দিন আজ। আর একদিন পরেই ঈদ। এদিন সকালে দেশের প্রধান ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে ব্যাপক যাত্রী চাপ দেখা গেছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেন ধরতে স্টেশনে ভিড় করেন ঘরমুখো মানুষ। প্ল্যাটফর্ম, প্রবেশপথ ও অপেক্ষমাণ কক্ষে যাত্রীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, রিকশা বা অন্যান্য বাহন থেকে নেমে যাত্রীরা হেঁটে টিকিটিং এরিয়া হয়ে প্লাটফর্মে প্রবেশ করছেন। ফলে প্রবেশপথে কিছুটা সময় লাগছে।
প্লাটফর্মে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, শতশত যাত্রী ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছেন শিডিউল বোর্ডের দিকে তাকিয়ে। এছাড়া প্লাটফর্মের খুঁটির সঙ্গে লাগানো থাকা সিটিং এরিয়াগুলোতেও শতশত যাত্রী অপেক্ষা করছেন। তবে সবাই বিলম্বিত ট্রেনের যাত্রী নন। কেউ কেউ আগে আগে স্টেশনে চলে এসেছেন। বাড়ি যাওয়ার সময় সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন যাত্রীরা।
এদিকে স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত ২০টি ট্রেন ঢাকা স্টেশন ছেড়ে গেছে। সারাদিনে মোট ৬৮টি ট্রেন ঢাকা ছাড়বে। বেশিরভাগ ট্রেন নির্ধারিত সময় অনুযায়ী স্টেশন ছেড়ে গেলেও দুটি ট্রেন বিলম্বে ছেড়ে যায়। এতে কিছু যাত্রীকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
সূত্র জানিয়েছে, চিলাহাটিগামী নীলসাগর ট্রেন সকাল ৮টায় ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সেটি সোয়া এক ঘণ্টা বিলম্বে ঢাকা স্টেশন ছেড়ে যায়। আর পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস সকাল সোয়া ১০টায় ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সেটিকে সময় দেওয়া হয়েছে ১০টা ৪০ মিনিটে।
বিলম্বিত একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী শরিফুল দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ট্রেন এখনও আসেনি, ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছি। ঈদযাত্রা বিলম্বের কারণে কিছুটা মন খারাপ। তবে এটা খুব বেশি পরিমাণ তা না। ২৫-৩০ বিলম্ব হতেই পারে। গত রাতে অনেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে গিয়েছে। সেই হিসেবে অনেক ভালো আছি।
জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী মাহবুবুর রহমান দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের ট্রেনের সময় এখনো হয়নি। পথে অন্য কোনো ঝামেলা যাতে না হয় সেজন্য আমরা আগে আগেই চলে এসেছি। অপেক্ষা করছি ট্রেনের জন্য। তবে আজ ট্রেন বিলম্ব কম হয়েছে।
ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মো. কবীর উদ্দীন দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, সকাল থেকে মাত্র দুটি ট্রেন বিলম্ব হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি সময়মতো যেন পৌঁছানো যায়। যে ট্রেনগুলো বিলম্ব হয়েছে সেগুলো অনেক দূরের পথ পাড়ি দেয়। এবং ওই ট্রেনগুলোতে যাত্রীও থাকে অনেক। ফলে দ্রুত যাওয়ার চেয়ে নিরাপত্তাকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।
আইকে/এসএন