ঈদের ভিজিএফের ১০ কেজি চালের বদলে ৩০০ টাকা, ক্ষোভ উপকারভোগীদের
ছবি: সংগৃহীত
১১:২৩ পিএম | ২৬ মে, ২০২৬
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে বরাদ্দ হওয়া ভিজিএফের চালের পরিবর্তে নগদ টাকা বিতরণের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিজিএফ চালের উপকারভোগীদের টাকা বিতরণের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। যা নিয়ে জেলায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ঈদ উপলক্ষ্যে ভিজিএফ চাল না পাওয়া উপকারভোগীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় বাবুখালী ইউনিয়নে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে, উপকারভোগীদের অভিযোগ তাদের নামে স্লিপ থাকলেও তারা সরকারি চাল পাননি। পরে তাদের প্রত্যেককে ৩০০ টাকা করে দেওয়া হয়।
উপকারভোগীদের দাবি, তারা চালের পরিবর্তে নগদ টাকা নিতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে তাদের টাকা গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয়েছে। এতে তারা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে বাবুখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, প্রতিটি বস্তায় কিছু পরিমাণ চাল কম ছিল। শেষ পর্যায়ে এসে কয়েকজনের জন্য চাল কম পড়ে যায়। তাই যারা চাল পায়নি, তাদেরকে চালের পরিবর্তে ৩০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রি মঙ্গলবার বিকেলে দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক উপকারভোগীকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। চালের পরিবর্তে টাকা দেওয়ার কোনো বিধান নেই। বাবুখালী ইউনিয়নে চালের বদলে টাকা দেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমআই/টিএ