© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মিলিন্দ সোমানকে নিয়ে মুখ খুললেন শাহানা গোস্বামী!

শেয়ার করুন:
মিলিন্দ সোমানকে নিয়ে মুখ খুললেন শাহানা গোস্বামী!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:০৩ পিএম | ২৭ মে, ২০২৬
একসময় বলিউড অভিনেতা ও মডেল মিলিন্দ সোমানের প্রতি কিশোরীবেলাতেই গভীর আকর্ষণ তৈরি হয়েছিল অভিনেত্রী শাহানা গোস্বামীর। বহু বছর পর এক সাক্ষাৎকারে সেই ব্যক্তিগত অধ্যায় নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন তিনি, যেখানে উঠে এসেছে প্রেম, দীর্ঘ যোগাযোগ, সম্পর্কের পরিণতি এবং শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদের অজানা দিক।

শাহানা জানান, দিল্লিতে পড়াশোনার সময় বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে তিনি প্রথমবার ‘রুলস: পেয়ার কা সুপারহিট ফর্মুলা’ ছবি দেখতে গিয়েছিলেন। শুরুতে তাঁর ধারণা ছিল, মডেল হিসেবে পরিচিত মিলিন্দ সোমান হয়তো অভিনয়ে ততটা দক্ষ নন। কিন্তু ছবিটি দেখার পর তাঁর সেই ধারণা সম্পূর্ণ বদলে যায়। পর্দায় মিলিন্দের অভিনয় তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে এবং সেখান থেকেই শুরু হয় এক ধরনের কৌতূহল।

অভিনেত্রীর কথায়, সেই কৌতূহলই ধীরে ধীরে তাঁকে মিলিন্দ সোমান সম্পর্কে আরও জানার দিকে নিয়ে যায়। ইন্টারনেট ঘাঁটতে ঘাঁটতে তিনি একসময় তাঁর ফোন নম্বর পর্যন্ত খুঁজে পান এবং জন্মদিনের শুভেচ্ছা পাঠান। অবাক করার মতোভাবে মিলিন্দ সঙ্গে সঙ্গেই উত্তর দেন। তবে সেই সময় তাঁদের যোগাযোগ মূলত বার্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, যা প্রায় ছয় বছর ধরে চলেছিল।



পরবর্তীতে মুম্বইয়ে আসার পর তাঁদের কয়েকবার দেখা হয় এবং ধীরে ধীরে সেই পরিচয় আবার নতুন করে গড়ে ওঠে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয় এবং তা প্রেমে রূপ নেয়। তবে এই সম্পর্ক নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় ছিল দুজনের বয়সের ব্যবধান, যা প্রায় ২১ বছরের। যদিও শাহানা স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই পার্থক্য কখনও তাঁর কাছে সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়নি।

তিনি আরও জানান, মিলিন্দের কাছ থেকে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পেয়েছেন তিনি। বিশেষ করে নিজের সুখ-দুঃখের দায় নিজেকেই নিতে হয়—এই ভাবনাটি তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

তবে এত ঘনিষ্ঠতা ও ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত ২০১৩ সালে তাঁদের সম্পর্কের ইতি ঘটে। শাহানার মতে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুজনেই বুঝতে পারেন তাঁদের জীবনধারা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ভিন্ন দিকে এগোচ্ছে। তাই ভালোবাসা থাকলেও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি।

অভিনেত্রীর মতে, ভালোবাসা মানেই সবসময় একসঙ্গে থাকা নয়, বরং একে অপরকে নিজের মতো করে বাঁচতে দেওয়াও তার একটি অংশ।

পিআর/টিকে

মন্তব্য করুন