© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ক্ষমতা ছাড়ার পর গা বাঁচানোর বন্দোবস্ত করছেন ট্রাম্প

শেয়ার করুন:
ক্ষমতা ছাড়ার পর গা বাঁচানোর বন্দোবস্ত করছেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৪০ এএম | ২৮ মে, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা ছাড়ার পর সম্ভাব্য আইনি জটিলতা ও তদন্ত থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৭ মে) সিএনএনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প ‘অ্যান্টি-ওয়েপোনাইজেশন ফান্ড’ নামে প্রায় ১৮০ কোটি ডলারের একটি তহবিল গঠন করেছেন। এর লক্ষ্য ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তদন্ত বা মামলার অভিযোগ মোকাবিলা করা।

সমালোচকদের মতে, এই তহবিল ভবিষ্যতে কংগ্রেস, পরবর্তী প্রশাসন কিংবা বিভিন্ন সংস্থার তদন্ত কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। একই সঙ্গে এটি ট্রাম্পের মিত্রদের তদন্তে সহযোগিতা না করার ক্ষেত্রেও উৎসাহিত করতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার ওপর থাকা বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহি ব্যবস্থা দুর্বল করার চেষ্টা করছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাধীন সংস্থা ও নজরদারি ব্যবস্থার ক্ষমতা কমানো, বিশ্বস্ত সহযোগীদের সুরক্ষা দেওয়া এবং প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা আরও বাড়ানো।

সিএনএন জানায়, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক কিছু রায়ের সুযোগ নিচ্ছেন, যেগুলো প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করেছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের একটি রায়ে প্রেসিডেন্টের সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত কর্মকাণ্ডে দায়মুক্তির সুযোগ বাড়ানো হয়।

আইন বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এসব পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক জবাবদিহি ও ক্ষমতার ভারসাম্য ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে পারে।

তবে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নতুন তহবিলের উদ্দেশ্য হলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত তদন্ত বা হয়রানির শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা করা। বিচার বিভাগ দাবি করেছে, অতীতে ট্রাম্পের কর-সংক্রান্ত তথ্য ফাঁস এবং রাজনৈতিক তদন্তের ঘটনাগুলোই এমন উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ট্রাম্প ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে তদন্তে জড়িত কিছু কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন। ২০২১ সালের ক্যাপিটাল হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত অনেক সমর্থককে ক্ষমাও দিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এসব পদক্ষেপ ভবিষ্যতের তদন্ত ও জবাবদিহির প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

এমআই/টিএ

মন্তব্য করুন