জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান মোজতবা খামেনির
ছবি: সংগৃহীত
০৭:২৫ পিএম | ২৮ মে, ২০২৬
ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসনে ব্যর্থ হয়ে এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল দেশের অভ্যন্তরে ফাটল ও বিভেদ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এক বাণীতে তিনি বলেন, চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ, অর্থনৈতিক চাপ, প্রোপাগান্ডা এবং অবরোধের পর শত্রুদের অন্ধ পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র হলো-সামাজিক বিভাজন এবং কোন্দল তৈরি করা। এর মাধ্যমে তারা সামরিক ক্ষেত্রে নিজেদের পরাজয়ের ক্ষতিপূরণ করতে চায় এবং ইরানি জাতিকে নতজানু করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
ইরানের সংসদ ইসলামি পরামর্শক সভা'র প্রথম অধিবেশন শুরুর বার্ষিকী উপলক্ষে আজ এই বাণী দেন তিনি। ১৯৮০ সালের ২৮ মে ইরানের এই জাতীয় সংসদ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছিল।
আয়াতুল্লাহ খামেনি পবিত্র ঈদুল আজহা এবং জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের উদ্বোধনী বার্ষিকী উপলক্ষে সমস্ত ইরানি জনগণ এবং সংসদ সদস্যদের অভিনন্দন জানান। একই সাথে দেশের অগ্রযাত্রায় সংসদ সদস্যদের এবং বিশেষ করে স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবফের প্রচেষ্টার গভীর প্রশংসা করেন।
সর্বোচ্চ নেতা ইরানের জাতীয় সংসদকে জাতির সারবত্তা, ধর্মীয় গণতন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের আইন ও আইনপ্রনয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, জনগণের ইচ্ছা বাস্তবায়নে এই সংসদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
সাম্প্রতিক সংঘাতের কথা উল্লেখ করে আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, তৃতীয় পবিত্র প্রতিরক্ষা শেষ হওয়ার পর তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। এই সময়ে ঈমান, আশা এবং কর্মের দিক থেকে ইরানি জনগণের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও চরিত্র বন্ধু এবং শত্রু-উভয়ের কাছেই প্রমাণিত হয়েছে।
তিনি মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের দিকে ইঙ্গিত করছিলেন, যা দীর্ঘ ৪০ দিনের তুমুল প্রতিরোধের পর গত ৮ এপ্রিল সমাপ্ত হয়। ওই সময়ে অঞ্চলজুড়ে থাকা মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটিতে ইরানের শক্তিশালী ও পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলার মুখে এই আগ্রাসন থেমে যেতে বাধ্য হয়েছিল।
সূত্র: প্রেস টিভি
টিজে/টিএ