বৃষ্টি নেই, ঢাকার বাতাসে বাড়ছে দূষণের মাত্রা
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৩৭ এএম | ২৯ মে, ২০২৬
নানা কারণে বিশ্বে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বায়ুদূষণ। দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের কবলে মেগাসিটি ঢাকাও। সম্প্রতি বৃষ্টিতে শহরটির বায়ুমানে কিছুটা উন্নতি হয়। তবে দুদিন ধরে বৃষ্টি না থাকায় আবারও দূষণের মাত্রা বাড়ছে।
শুক্রবার (২৯ মে) সকাল সোয়া ৯টায় আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে দূষিত শহরের তালিকায় সপ্তম অবস্থানে ঢাকার বায়ুমানের স্কোর ১০৭, যা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে গত বৃহস্পতিবার শশহরটির বায়ুমানের স্কোর ছিল ৭৭। আগেরদিন ছিল ৭৩। আর গত মঙ্গলবার ঢাকার বায়ুমানের স্কোর ছিল ৪৭। দুদিন ধরে বৃষ্টি না থাকায় বাতাসে দূষণের মাত্রা তুলনামূলক বেড়েছে।
তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কঙ্গোর কিনশাসা। শহরটির স্কোর ১৯৬। বায়ুমানের এই স্কোর অস্বাস্থ্যকর হিসেবে গণ্য করা হয়।
এদিকে, দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভারতের কলকাতার স্কোর ১৪২। এই শহরের দূষণের মাত্রা কিছুটা বেশি হলেও দেশটির আরেকটি শহর দিল্লির বাতাস মোটামুটি ভালো। কারণ তালিকার ১৫তম অবস্থানে থাকা শহরটির বায়ুমানের স্কোর ৯০, যা মোটামুটি ভালো ধরা হয়। আর ৫৩ অবস্থানে থাকা ভারতের মুম্বাইয়ের বাতাসও মোটামুটি ভালো রয়েছে।
এছাড়া ১৩৯ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, ১৩১ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে চিলির শান্তিয়াগো, ১২২ স্কোর নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ, ১১৬ স্কোর নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনামের হেনোয়। শহরগুলোর বায়ুমানের স্কোর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর।
অন্যদিকে, তালিকার অষ্টম অবস্থানে থাকা লাহোরের স্কোর ১০১। এই শহরের দূষণের মাত্রা কিছুটা বেশি হলেও দেশটির আরেকটি শহর করাচির বাতাস মেমাটামুটি ভালো।
একিউআই মান অনুযায়ী, ৫০ থেকে ১০০ স্কোর থাকলে তখন বায়ুর গুণমানকে ‘মাঝারি’ বলে বিবেচনা করা হয়। একিউআই সূচক ১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সময় সাধারণত সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় ধরে বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেয়া হয়।
১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে হলে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া ৩০১ এর বেশি হলে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।
কেএন/এসএন