ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ফেসবুক পোস্ট, ভাঙ্গায় ২ গ্রামের সংঘর্ষে আহত ৩০
ছবি: সংগৃহীত
০১:৫৩ পিএম | ৩০ মে, ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দ্বিতীয় দিনের মতো দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে ১০টি বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সোহাগ মোল্লার বিরুদ্ধে সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগ এনে সপ্তাহখানেক আগে ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন আক্রাম শেখ নামে স্থানীয় এক যুবক। ওই ভিডিওর সূত্র ধরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যানকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় বাবনাতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেয়ারম্যানের ভাই চন্দন মোল্লার সাথে আক্রাম শেখের তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাদের এই বাদানুবাদ মারামারিতে রূপ নেয়। এই খবর দুই গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে গতকাল রাতেই উভয় গ্রামের মানুষ প্রথম দফায় সংঘর্ষে জড়ায়।
এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (৩০ মে) সকালে এলাকায় আবারও নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুই গ্রামের বাসিন্দারা ঢাল, শড়কি, রামদাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং অন্তত ১০টি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে দুই পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল ও ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ভাঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় পুনরায় সংঘাত এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
কেএন/এসএন