© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনযুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি ইন্টেল ব্যবহার করে ইরানে ডজনখানেক বিমান হামলা চালায় আমিরাত

শেয়ার করুন:
যুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি ইন্টেল ব্যবহার করে ইরানে ডজনখানেক বিমান হামলা চালায় আমিরাত

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৫০ পিএম | ৩০ মে, ২০২৬
ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে দেশটির বিভিন্ন স্থাপনায় কয়েক ডজন বিমান হামলা চালিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইন্টেল (গোয়েন্দা তথ্য) ব্যবহার করে এসব হামলা চালায় ইউএই। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় আমিরাতের তেল ও গ্যাস স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর পাল্টা জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে ইরান ইউএই'র দিকে ২ হাজার ৮শ'টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে। যা অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় অনেক বেশি। জবাবে হরমুজ প্রণালির কেশম ও আবু মুসা দ্বীপ, বন্দর আব্বাস এবং লাভান দ্বীপের তেল শোধনাগারসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে আসালুইয়েহ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সেও হামলা চালায় ইউএই। ওই হামলার পর আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা তৈরি হয়। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইসরায়েলকে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, আসালুইয়েহ গ্যাস কমপ্লেক্সে হামলা চালানোর ঘটনায় ইসরায়েল একাই জড়িত ছিল।

যুদ্ধের সময় ইউএই ও ইসরায়েলের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ইসরায়েল ইউএই'তে 'আয়রন ডোম' প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সেনা মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি যুদ্ধের সময় মোসাদ প্রধান, শিন বেত প্রধান, আইডিএফ চিফ অব স্টাফসহ একাধিক শীর্ষ ইসরায়েলি কর্মকর্তা গোপনে আমিরাত সফর করেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।

এদিকে, ইরানবিরোধী সামরিক পদক্ষেপে অংশ না নেয়ায় সৌদি আরব ও কাতারের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেন ইউএই প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ। মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ প্রতিক্রিয়া গড়ে তুলতে চাইলেও তারা এতে সাড়া দেয়নি বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাগুলো উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান মতপার্থক্য আরও বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলের সঙ্গে ইউএইর ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতারও ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন