নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত
১০:৩৩ পিএম | ৩১ মে, ২০২৬
আজ রোববার (৩১ মে) ভারতের গোয়ায় জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ৩-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ।সেমিফাইনাল আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের। ভারতকে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হওয়ার সুযোগ ছিল পিটার বাটলারের দলের। কিন্তু এই হারে ‘বি’ গ্রুপ থেকে রানার্স হয়েই সেমিফাইনালে যেতে হলো বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের।
স্বাগতিদের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশকে রক্ষণে ব্যস্ত রাখছিল স্বাগতিকরা। এর বিপরীতে গিয়ে অবশ্য গোলের প্রথম সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেটি কাজে লাগাতে পারেননি আগের ম্যাচে ১১ সেকেন্ডে গোল করা আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী।
এরপর কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরি করে ভারত, কয়েকবার আদায় করে নেয় কর্নার। ম্যাচের ১২তম মিনিটে কর্নার পেয়েছিল ভারত। কিন্তু সেখান থেকে কোনো বিপদ ঘটতে দেননি ডিফেন্ডাররা।
২৬তম মিনিটে আবারও কর্নার থেকে সুযোগ পেয়েছিল ভারত। কিন্তু এবার তারা নিজেরাই সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। ভারতের পিয়ারির হেড চলে যায় বাইরে দিয়ে।
ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে আর ভারতকে আটকাতে পারেনি বাংলাদেশ। বক্সের মুখে বল পেয়ে নিজের শরীরটাকে চমৎকারভাবে ঘুরিয়ে পোস্টের কোনা দিয়ে বলটিকে নিখুঁতভাবে জালে জড়িয়েছেন তিনি। ভারতের হয়ে এটি তাঁর ২০তম গোল। এই ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
বিরতি থেকে ফিরে তৃতীয় মিনিটেই আক্রমণে ওঠে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৪৮তম মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে বক্সের মধ্যে ক্রস এসেছিল কিন্তু ডি বক্সের ভেতরে থাকা বাংলাদেশের কোনো খেলোয়াড়ই বলটির নাগাল পাননি।
ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে আরেকটি সুযোগ নষ্ট হয় বাংলাদেশের। ভারতের পিয়ারিকে কাটিয়ে ভেতরে ঢুকে একটি ক্রস বাড়িয়েছিলেন ঋতুপর্ণা, কিন্তু বাংলাদেশের কোনো খেলোয়াড়ই এর সুবিধা নিতে পারেননি।
এর ৯ মিনিট পর উল্টো গোলহজম করে বসেছিল বাংলাদেশ। দারুণ সেভে এ যাত্রায় বাংলাদেশকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক মিলি। ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে দ্বিতীয় গোলহজম করে বাংলাদেশ। বক্সের মধ্যে ভারতের মালাবিকাকে ফাউল করেন বাংলাদেশের ডিফেন্ডার সুরমা জান্নাত। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট কিক থেকে বাংলাদেশের জালে বল জড়ান বদলি নামা লিন্ডা।
ম্যাচের শেষদিকে আরও একটি গোলহজম করে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে আসা পাস দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান মালবিকা।
আরআই/টিএ