কোটা সংস্কারের কথা প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন ২০১৪ সালেই: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব
ছবি: সংগৃহীত
১০:৪৪ পিএম | ০২ জুন, ২০২৬
২০১৪ সালেই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। শনিবার (৩০ মে) লন্ডনে একটি গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা জানান।
এসময় ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হলেও তারেক রহমান এর পাঁচ বছর আগেই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মত দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন সালেহ শিবলী।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বলেন, ২০১৪ সালের ১৫ জুলাই লন্ডনের টাওয়ার হিলে এক অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে বিদ্যমান কোটাব্যবস্থা সংস্কার করে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। সরকারি চাকরিতে মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি তখনই এ অবস্থান নিয়েছিলেন।
দাবির সমর্থনে একটি ভিডিও দেখান সালেহ শিবলী। ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘সরকারি চাকরিতে যে কোটা আছে, এখন বোধ হয় দেশে প্রায় ৫০ ভাগের মতো কোটা আছে। আমি মনে করি, এই কোটাটা ৫০ থেকে কমিয়ে মেধাবীদের জায়গা দেওয়ার জন্য ৫ শতাংশের মধ্যে নিয়ে আসা উচিত।’
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বলেন, সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় পরবর্তীকালে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ তৈরি হয়।
এসময় ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর দায়িত্ব গ্রহণ করে কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু করেছে বিএনপি সরকার উল্লেখ করে সালেহ শিবলী বলেন, এর মধ্যে বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালুর উদ্যোগ, স্বাস্থ্য খাতে এক লাখ নার্স নিয়োগের ঘোষণা এবং বিদেশে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উল্লেখযোগ্য।
উলেখ্য, ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের দমন-পীড়নের মধ্যে রক্তাক্ত এক পথ পেরিয়ে সেটি গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। সেই আন্দোলনেই ক্ষমতাচ্যুত হয় আওয়ামী লীগ।
এমআর/টিএ