© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মধ্যপ্রাচ্যের ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

শেয়ার করুন:
মধ্যপ্রাচ্যের ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:০৪ এএম | ০৫ জুন, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান তীব্র উত্তেজনা ও যেকোনো মুহূর্তে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কায় অঞ্চলটির ১৪টি দেশে নতুন করে ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। চলমান অস্থিতিশীলতার কারণে ওইসব এলাকায় অবস্থানরত নিজ দেশের নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (স্টেট ডিপার্টমেন্ট) বরাত দিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসগুলো এই জরুরি নির্দেশনা জারি করে।
ইরাকে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অঞ্চলে উচ্চমাত্রার উত্তেজনার কারণে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল এবং এটি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকার এবং ব্রেকিং নিউজের দিকে নজর রাখার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, যেকোনো সময় বৈরি পরিস্থিতি বা হামলা হতে পারে। এমন জরুরি অবস্থায় মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত নিকটবর্তী নিরাপদ আশ্রয়ের অবস্থান জেনে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট তাদের এই ভ্রমণ সতর্কতায় দেশগুলোকে প্রধানত দুটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছে। 

এর মধ্যে, লেভেল-৩ সতর্কতায় আছে বাহরাইন, ইসরায়েল, পশ্চিম তীর, জর্ডান, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এই দেশগুলোতে ভ্রমণের সিদ্ধান্ত পুনরায় ভেবে দেখার অনুরোধ করা হয়েছে। তবে এতে সরাসরি ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকে না। 

লেভেল-৪ সতর্কতায় আছে ইরান, ইরাক, লেবানন, সিরিয়া, গাজা এবং ইয়েমেন। চলমান সশস্ত্র সংঘাত ও চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে এই এলাকাগুলোতে মার্কিন নাগরিকদের কোনোভাবেই ভ্রমণ না করার সর্বোচ্চ সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

কূটনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমেনি। সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া কিছু সামরিক হামলা এই অঞ্চলের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা এবং বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

বিশেষ করে, গত বুধবার কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় এক ভারতীয় নাগরিক নিহত এবং অন্তত ৬৮ জন আহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই মূলত পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ও সতর্কতা জারির তোড়জোড় শুরু হয়।

কেএন/টিএ 

মন্তব্য করুন