© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মমতার বিরুদ্ধে ফের থানায় অভিযোগ

শেয়ার করুন:
মমতার বিরুদ্ধে ফের থানায় অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:০২ পিএম | ০৫ জুন, ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শিলিগুড়ি সাইবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি বিভিন্ন জনসভা ও রাজনৈতিক বক্তব্যে ভারতের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আইনজীবী রিংকি চট্টোপাধ্যায় সিং এই অভিযোগ দায়ের করেন। এতে অন্যান্য অভিযোগের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ভারত সরকারকে জড়িয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টার অভিযোগও আনা হয়েছে।

‘সম্প্রতি বিভিন্ন জনসভা, রাজনৈতিক মঞ্চ ও সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক ও উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন অভিযুক্ত (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)। তিনি প্রকাশ্যে এসব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সততা, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতি জনগণের মধ্যে অবিশ্বাস ও অসন্তোষ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।’

এছাড়া ২ জুন একটি রাজনৈতিক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে অভিযোগকারী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে গোপন আলোচনার দাবি করেন এবং প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ভারত সরকার ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যুক্ত করে মন্তব্য করেন।

অভিযোগকারীর দাবি, এ ধরনের বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বা বৈরী মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এর আগে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অভিযোগেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পাশাপাশি ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় মমতা একটি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ইঙ্গিত করেছিলেন, একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায় যদি হিন্দুদের ওপর হামলা চালায়, তবে ‘তাদের ১২টা বেজে যাবে’।

আইনজীবী রিংকির অভিযোগ, এ ধরনের মন্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল ‘ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করা’ এবং ‘সামাজিক অশান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করা।’

তবে এ বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তার দলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

কেএন/টিএ

মন্তব্য করুন