© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রাম থেকে সরানোর উদ্যোগে জামায়াতের উদ্বেগ

শেয়ার করুন:
বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রাম থেকে সরানোর উদ্যোগে জামায়াতের উদ্বেগ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:১৩ পিএম | ০৬ জুন, ২০২৬
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের উদ্যোগের তীব্র প্রতিবাদ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম।  

শনিবার (৬ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের প্রস্তাব অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। প্রধান কার্যালয় ঢাকায় সরিয়ে নেওয়ার সংবাদে চট্টগ্রামের জনমনে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে তা অত্যন্ত যৌক্তিক। ইতোমধ্যে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানানো হয়েছে, যা তিনি স্বাগত জানান।

নজরুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের জয়পাহাড় এলাকায় প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিপিসির নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বিএসসি ভবন থেকে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকায় লিয়াজোঁ অফিস বহাল রাখা যেতে পারে, তবে জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কার্যকারিতার স্বার্থে বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামেই রাখা উচিত।

তিনি বলেন, দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি চট্টগ্রামে অবস্থিত। এছাড়া দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম থেকেই জ্বালানি তেল আমদানির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। জ্বালানি তেল আমদানি, সংরক্ষণ, পরিশোধন ও সরবরাহ ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু চট্টগ্রাম হওয়ায় এখান থেকে বিপিসির প্রধান কার্যালয় সরিয়ে নেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, বিপিসি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জ্বালানি খাতের সামগ্রিক কারিগরি ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চট্টগ্রাম থেকেই পরিচালিত হয়ে আসছে। দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থাপনা কাঠামো পরিবর্তন করলে সমন্বয়হীনতা ও প্রশাসনিক স্থবিরতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দেশের সুষম উন্নয়ন এবং বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে চট্টগ্রামের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের নীতির পরিপন্থি এ স্থানান্তর প্রস্তাব বাতিল করা উচিত।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি বিরোধী দলসমূহের প্রতিনিধিত্বসহ সংসদীয় কমিটিতে বিষয়টি আলোচনা করে জাতিকে অবহিত করার আহ্বান জানান তিনি।

এমআর/টিকে  

মন্তব্য করুন