ভুটানের ভূমিকম্পে বাংলাদেশসহ কেঁপে উঠল ৫ দেশ
ছবি: সংগৃহীত
০১:৫৭ এএম | ০৮ জুন, ২০২৬
হিমালয় অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে রোববার (৭ জুন) ৫.৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার কম্পন অনুভূত হয়েছে আশপাশের পাঁচটি দেশে।
জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভুটানে। তবে এর প্রভাব দেশটির সীমানা ছাড়িয়ে ভারত, চীন, বাংলাদেশ ও নেপালেও ছড়িয়ে পড়ে।
ভূমিকম্পের কারণে বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে অনেক বাসিন্দা ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ঘটনা আবারও স্মরণ করিয়ে দিলো যে হিমালয় অঞ্চল বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। ভুটান এমন একটি উচ্চ ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের চলমান সংঘর্ষের কারণে নিয়মিত ভূমিকম্পের ঝুঁকি তৈরি হয়।
ফলে পুরো হিমালয় উপমহাদেশই এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে আছে।
এর আগে চলতি সপ্তাহে ভারতের হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালা অঞ্চলে একাধিক ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পনের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.০। ভূমিকম্পগুলো এলাকাজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করলেও কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়।
গত ৫ জুন ধর্মশালা অঞ্চলে এসব ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সেদিন রাত ১০টা ৪ মিনিটে সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পনটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ধর্মশালা থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে, কাংড়া-চাম্বা সীমান্তের ধৌলাধার পর্বতমালার ধার ঘাদোই ও আর এফ কুগতি এলাকার মধ্যবর্তী অঞ্চল।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমালয় অঞ্চলে টেকটোনিক প্লেটের সক্রিয় গতিবিধির কারণে এ ধরনের ভূমিকম্প ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে। তাই ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকাগুলোতে সতর্কতা ও দুর্যোগ প্রস্তুতি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া ডট কম
এমআর/টিএ