© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুতে ভেঙে পড়লেন সালমান

শেয়ার করুন:
প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুতে ভেঙে পড়লেন সালমান

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৩৭ পিএম | ০৯ জুন, ২০২৬
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের জীবনে আবারও নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু কুমুদ রানের মৃত্যুতে গভীরভাবে ভেঙে পড়েছেন এই তারকা। মুম্বাইয়ের একটি শ্মশানে অনুষ্ঠিত শেষকৃত্যে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় সালমান খানকে, যেখানে তাকে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে বারবার চোখের জল মুছতে দেখা গেছে।

ঘটনাস্থলের ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে সালমানকে একেবারেই ভিন্ন এক আবেগঘন রূপে দেখা যায়। সাধারণত কঠোর ও নিয়ন্ত্রিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত এই তারকাকে শোকাহত অবস্থায় দেখে বিস্মিত হয়েছেন ভক্তরাও। পরনে ছিল সবুজ রঙের পোশাক, মুখে ছিল অনুচ্চারিত যন্ত্রণার ছাপ।

শুধু সালমান খানই নন, শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও। সোহেল খানসহ খান পরিবারের ঘনিষ্ঠরা সেখানে উপস্থিত থেকে শেষ বিদায়ের মুহূর্তে অংশ নেন। মঙ্গলবার সম্পন্ন হওয়া এই শেষকৃত্যের সময় পুরো পরিবেশই ছিল শোকভারাক্রান্ত।



জানা গেছে, কুমুদ রানে দীর্ঘদিন ধরে খান পরিবারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই পরিবারে নেমে আসে গভীর শোক। এর আগে গত মাসে হাসপাতালে গিয়ে এই বন্ধুকে দেখতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন সালমান। সেই সময় হাসপাতালের বাইরে ছবিশিকারীদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করতেও দেখা যায় তাকে।

গত কয়েক বছর ধরেই একের পর এক ব্যক্তিগত ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছেন এই তারকা। কখনও হত্যার হুমকি, কখনও শারীরিক অসুস্থতা, আবার ঘনিষ্ঠজনের মৃত্যু- সব মিলিয়ে সময়টা সহজ যাচ্ছে না তার জন্য। এর আগে দীর্ঘ ৪২ বছরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হারানোর শোকও তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।

এছাড়া বছর দেড়েক আগে রাজনৈতিক নেতা বাবা সিদ্দিকির মৃত্যুর পরও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন সালমান খান। সেই সময় কাজ থেকে বিরতি নেওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে অনেকটাই গুটিয়ে নিয়েছিলেন নিজেকে। একের পর এক বন্ধুবিয়োগে তাই বলিউডের এই তারকার জীবনে নেমে এসেছে গভীর শূন্যতা।

সব মিলিয়ে আবারও শোকের ভারে ভারাক্রান্ত সালমান খানের জীবন। প্রিয়জন হারানোর এই ধারাবাহিক কষ্ট তাকে মানসিকভাবে কতটা নাড়া দিচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাও।

এসএ/টিএ

মন্তব্য করুন