জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার সময় নিয়ে মুখ খুললেন অর্জুন
ছবি: সংগৃহীত
০৯:২৯ পিএম | ০৯ জুন, ২০২৬
অর্জুন রামপালের অভিনয়দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নেই কারোর। তবে মাঝে লম্বা একটা সময় ধরে আলোচনার বাইরে ছিলেন। গত বছর ‘ধুরন্ধর’-এর আকাশচুম্বী সাফল্যের সুবাদে ফের সুসময়ে ফিরেছেন অর্জুন। তবে ফেলে আসা অন্ধকার অধ্যায় এখনো তার মনে প্রবলভাবে রয়ে গেছে।
‘ক্যান্সেলড টু ক্রাউন’ নামের একটি ইউটিউব শোতে হাজির হয়ে নিজের দুঃসহ দিনের কথা জানিয়েছেন অর্জুন। ওই সময়ে তার জীবন থেকে যেন একের পর এক সব মানুষ হারিয়ে যাচ্ছিল। কাজেও ছিলেন না সরব। একদিকে প্রাক্তন স্ত্রীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ (২০১৯), অন্যদিকে তার মা আক্রান্ত হয়েছিলেন ক্যানসারে। তারও বছর তিনেক আগে হারিয়েছিলেন বাবাকে। সবমিলিয়ে বিধ্বস্ত এক সময় পার করতে হয়েছে তাকে।
অর্জুন বলেন, ‘সম্ভবত সেটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার সময়। কারণ তখনই আমার মা ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন এবং আমি তাকে হারানোর পথে ছিলাম। কাছের মানুষদের প্রায় সবাইকে হারাচ্ছিলাম আমি। এর তিন বছর আগে বাবাকে হারিয়েছিলাম। বন্ধুদের হারাচ্ছিলাম। যা কিছু অর্জনের জন্য এত পরিশ্রম করেছি, সবকিছুই যেন হারিয়ে যাচ্ছিল।’

তবে এসব ভাঙনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি একাকীত্ব অনুভব করেছেন তখনই, যখন নিজের সঙ্গেই তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। প্রাক্তন স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ প্রসঙ্গে অর্জুন বলেন, ‘ঘটনাটি অবশ্যই দুঃখজনক ছিল, তবে ভালোবাসা কিংবা মানুষ- কোনোটাই স্থির থাকে না। মানুষের পরিবর্তন ঘটে, আর অনেক সময় দুজন মানুষ একসঙ্গে সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে পারে না।’
এই অন্ধকার সময়েই অর্জুনের জীবনে প্রদীপের আলো হয়ে আসেন গ্যাব্রিয়েলা ডেমেট্রিয়াডেস। তার সঙ্গে আত্মিক শান্তিটা অনুভব করেছেন অভিনেতা। অর্জুন বলেন, ‘আমরা দুজনই যেন এক ঝড়ের মধ্যে ছিলাম, আর সেই ঝড় সামলে এগিয়ে যেতে হয়েছিল। তবে ভালো ব্যাপার হলো, আমরা একসঙ্গে সেই ঝড় মোকাবিলা করতে পেরেছিলাম। এরপরই জীবনে আশীর্বাদ আসতে শুরু করে।’
এসএ/টিএ