© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

নাবিল গ্রুপ ৭০০ কোটির লোন ফেরত দেয়নি, সেটা গেছে এক দলের নির্বাচনী তহবিলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
নাবিল গ্রুপ ৭০০ কোটির লোন ফেরত দেয়নি, সেটা গেছে এক দলের নির্বাচনী তহবিলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৪৪ এএম | ১০ জুন, ২০২৬
ইসলামী ব্যাংক থেকে নাবিল গ্রুপ ৭০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা পরে আর ফেরত দেয়নি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, নাবিল গ্রুপকে এলসির বিপরীতে ৭০০ কোটি টাকা লোন দেওয়া হয়েছে। পরে মালামাল বিক্রি করে ব্যাংকে টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।

দুষ্টু লোকেরা বলে-সেটা কোনো এক দলের নির্বাচনী তহবিলে গেছে এবং তারা একটি টিভি চ্যানেল প্রতিষ্ঠা করেছে। সেই চ্যানেলটা কোন পক্ষে খেলছে, সেটা আমরা জানি। তার ব্যাংক দায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। লান্তাবুর গ্রুপকে হেড অফিসের অনুমোদন ছাড়া নির্বাচনের আগে ৪০ কোটি টাকা লোন দেওয়া হয়েছে, যার কোনো সদুত্তর নেই।

এসব বিষয়েও তদন্ত হবে। গতকাল মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা খাতের বা সিএসআর ফান্ডের অর্থ দিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিমানের টিকিট কাটার মতো অনিয়ম সংগঠিত হয়েছে, যা সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে, এসবেরও তদন্ত হবে।

জামায়াতের নাম উল্লেখ না করে নির্বাচনে দলটির পক্ষে ইসলামী ব্যাংক থেকে অর্থায়ন করা হয়েছে, এমন ইঙ্গিত করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ইসলামী ব্যাংকে আরডিএস নামে একটি প্রকল্প আছে।

এটি হচ্ছে ইসলামী ব্যাংকের একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প। এই প্রকল্পের মূল হচ্ছে পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প নামে।  তিনি বলেন, ‘ভোটের আগে ১০ হাজার টাকা করে অনেক নারীকে দেওয়া হয়েছে। লাইনে আমারে জিজ্ঞেস করছে এক কর্মী, মা আপনি কোথায় দিলেন? বলছে যে, বাবা কুরআনের দল, না দিলে তো জান্নাতে যাওয়া যাবে না। ১০ হাজার টাকাও দিয়েছে।

বলেছে এটা মাফ হয়ে যাবে। আরো ১০ হাজার টাকা পাব। এভাবে বোনাস হিসাবে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত পাওয়ার নিশ্চয়তাও দিয়েছে।’ 
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই আরডিএস প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আগে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। ৫ আগস্টের পর নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়ার জন্য আরও ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

আরআই/ এসএন

মন্তব্য করুন