© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল১০ ভেন্টিলেটর মেশিনের মধ্যে ৯টিই নষ্ট, এমপি বাবরের ক্ষোভ

শেয়ার করুন:
১০ ভেন্টিলেটর মেশিনের মধ্যে ৯টিই নষ্ট, এমপি বাবরের ক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৪৫ পিএম | ১৪ জুন, ২০২৬
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ১০ ভেন্টিলেটর মেশিনের মধ্যে ৯টিই নষ্ট হয়ে গেছে। বিষয়টি জানার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর।

তিনি বলেন, ২০২০ সালে কোভিডের সময় আইসিইউর সব যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়। প্রতিটি বেড প্রস্তুত ছিল, ভেন্টিলেটর, মনিটরসহ সব ধরনের যন্ত্রপাতি ছিল। কিন্তু এখানে যে ভেন্টিলেটরগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো একেবারেই নিম্নমানের ও সস্তা। ফলে চালু করার আগেই সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে।

এখন চালু করতে গিয়ে দেখা গেছে, ১০টি ভেন্টিলেটর মেশিনের মধ্যে ৯টিই নষ্ট।

দেশের ১০ জেলায় ১০ শয্যাবিশিষ্ট নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) উদ্বোধন উপলক্ষে রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে আয়োজিত গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি বাবর বলেন, আইসিইউ যখন করা হয়েছে, তখন এটি ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জেলা এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা। তাহলে ২০২০ সালে কেন এটি চালু হয়নি? গত ছয় বছর ধরে এখানে যন্ত্রপাতিগুলো কেন অকেজো হয়ে পড়ে ছিল? কেন আমরা এটি চালু করতে পারিনি?

বাবর আরো বলেন, আমাদের সরকারের বয়স সাড়ে তিন মাসও হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আজ সারা বাংলাদেশের ১০টি জেলায় এই আইসিইউ উদ্বোধন হয়েছে, যার মধ্যে গোপালগঞ্জও রয়েছে। ২০২০ সালে যারা এসব ভুয়া যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে, বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে আমরা তাদের বিচার চাই।

এমপি বলেন, গোপালগঞ্জবাসী গত ছয় বছর কেন এই সেবা থেকে বঞ্চিত হলো? বিগত সরকার কি করেছে? কেন এই ছয় বছর আইসিইউটি চালু করা হয়নি?

গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের সাবেক পিডি এবং গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সাবেক সহকারী পরিচালক ডা. অসিত মল্লিকের নাম উল্লেখ করে এমপি বাবর বলেন, ডা. অসিত মল্লিক গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি লুটপাট করে খেয়েছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই দুটি প্রতিষ্ঠানের লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের নাম বেরিয়ে আসবে।

এ বিষয়ে ডা.অসিত মল্লিক বলেন, এই প্রকল্প ডিজি অফিস থেকে গ্রহণ করা হয়।

এটা শুধু গোপালগঞ্জ নয়, সারা দেশেই হয়েছে। পিডির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। এখানে আমার বা লোকাল কোনো অফিসারের হস্তক্ষেপ ছিল না। 

টিকে/

মন্তব্য করুন