© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

৫ হাজার ডাক্তার ও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

শেয়ার করুন:
৫ হাজার ডাক্তার ও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৫৩ পিএম | ২৪ জুন, ২০২৬
স্বাস্থ্য খাতের বৈষম্য দূর করতে এবং গ্রামীণ মানুষের দোরগোড়ায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে বড় ধরনের নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে সরকার ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী ও ৫ হাজার ডাক্তার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা আইপাস আয়োজিত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানেযৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করেছে। এই বাজেটকে কাজে লাগিয়ে 'প্রাইমারি হেলথকেয়ার' বা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে দেশের স্বাস্থ্য কাঠামো পুনর্গঠনের ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেব। পাশাপাশি প্রায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। এছাড়া শীঘ্রই ৫ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দেয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও ডাক্তার নিয়োগের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা নানাবিধ প্রশাসনিক জটিলতায় বিভক্ত হয়ে কাজ করছেন। এই ব্যবস্থাকে 'স্ট্রিমলাইন' বা সুসংহত করার চেষ্টা চলছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের নতুন করে প্রশিক্ষণ (রিট্রেইন) দেয়া হবে, যাতে তারা যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসহ সব ধরনের সেবা সমন্বিতভাবে প্রদান করতে পারেন। তৃণমূল পর্যায়ে কমিউনিটি এনগেজমেন্ট বা জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

নারীদের বিশেষায়িত চিকিৎসার বিষয়ে এম এ মুহিত বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহে দেশে কমপক্ষে একটি বা সম্ভব হলে দুটি 'উইমেন্স হেলথ ইনস্টিটিউট' গড়ে তোলা হবে। এখানে নারীদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার সুযোগ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করলেও ডাক্তারদের প্রায় ৭০ শতাংশই বড় শহরগুলোতে থাকেন। ফলে সাধারণ মানুষকে যেকোনো জটিল রোগের জন্য কথায় কথায় ঢাকায় আসতে হয়। এই বৈষম্য দূর করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত সেবা দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।

টিকে/

মন্তব্য করুন